শিরোনাম
কাজী জালাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওলানা এনামুল হকের দাফন সম্পন্ন সংসদীয় কমিটিতে আলোচনায় সওজ সিলেট জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ‌'সাবিনার মতো আর কোনো নারীর জীবনে এমন ঘটনা ঘটুক-আমরা তা চাই না' ছাতকের জহিরপুরে মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের শাবির সাথে সোনালী ব্যাংক এর ১০০ কোটি টাকার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত দক্ষিণ সুরমায় সালিশ ব্যক্তিত্ব খুনের ঘটনায় মহিলা গ্রেফতার এবারও শাহপরান (রহ.) মাজারের ওরসও হচ্ছে না দুবাই এক্সপো শুরু ১ অক্টোবর : ভিজিটরদের অনন্য অভিজ্ঞতা দিতে প্রস্তুত এমিরেটস প্যাভিলিয়ন ‘ফজরের নামাজ পড়ে তারা ট্রাকের সামনে গল্প করছিলেন’ দক্ষিণ সুরমায় সালিশ ব্যক্তিত্বের লাশ উদ্ধার
English

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১ ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন



সেপ্টেম্বর / ২৭ / ২০২১


সিলেটের সকাল রিপোর্ট:

আপডেটের : সেপ্টেম্বর / ২৭ / ২০২১

গোয়াইনঘাটে দুই ভাবী হত্যার দায়ে দেবরের মৃত্যুদন্ড

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম পানথুমাই গ্রামে চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী হাসিনা বেগম ও মালেকা বেগমকে  হত্যার দায়ে মুখলিছ মিয়া ওরফে মখনকে (৫৫) মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। সিলেটের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. বজলুর রহমান গতকাল বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।  

। রায়ে আদালত মখনের স্ত্রী রাহেলা বেগমকে(৪৮) ৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেন। দন্ডপ্রাপ্ত মুখলিছ মিয়া ওরফে মখন গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম পানথুমাই গ্রামের মৃত আছকির আলীর পুত্র। দন্ডপ্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রী বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছে। 

সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি নিজাম উদ্দিন জানান , এটি একটি আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। নদীর তীরে মুর্তার চারা লাগানোকে কেন্দ্র করে মখন তার আপন চাচাতো ২ ভাইয়ের স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করে। 

আদালতের নথিপত্র ও বাদীপক্ষ সূত্রে জানা গেছে , ২০১৪ সালের ২৫ এপ্রিল শুক্রবার দুপুর পৌনে ১টায় গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম পানথুমাই গ্রামের আজির উদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা বেগম (৪০) ও একই বাড়ির জমসু মিয়ার স্ত্রী মালেকা বেগম (৩৮) তাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী  পিয়াইন নদীর ভরাট হওয়া তীরে মুর্তার বাগানে চারা রোপন করতে যান। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মখন হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ঘটনাস্থলেই হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহত হাসিনা বেগমের পুত্র আব্দুর ছবুর বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। 

২০১৭ সালের ২০ জুলাই দন্ডবিধি ৩০২ ধারায় আসামি মখলিছ মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ২০২০ সালের ৩ নভেম্বর আদালত অভিযোগের সংশোধন করেন। এরপর মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ১৯ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণশেষে আদালত এ রায় দেন। 

রায়ে মখনকে মৃত্যুদন্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ডও প্রদান করা হয়। মামলার আলামত নষ্ট করায় ঘাতকের স্ত্রী রাহেলা বেগমকে নারী ও সন্তানদের বিষয়টি ৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের দন্ডের আদেশ দেন। 

রাষ্ট্রপক্ষে সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এডভোকেট নিজাম উদ্দিন ও অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট শামসুল ইসলাম মামলাটি পরিচালনা করেন। আসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এডভোকেট আব্দুল লতিফ।

আইন-আদালত