এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভরিপ্রতি ৩৫০০ টাকা কমলো স্বর্ণের দাম

সিলেটের সকাল ডেস্ক ।। টানা কয়েক দফা বাড়ার পর এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বাজারে সব ধরনের স্বর্ণের দাম সাড়ে তিন হাজার টাকা কমেছে। বিশ্ববাজারে অস্বাভাবিক দরপতন হওয়ায় দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ দাম পড়বে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে স্বর্ণের এ নতুন দর কার্যকর হবে। খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশের বাজারে কোন দামে স্বর্ণ বিক্রি হবে, তা নির্ধারণ করে বাজুস। বিশ্ববাজারে দাম বাড়া-কমার ওপর নির্ভর করে এই দাম নির্ধারণ করা হয়। সাধারণত বিশ্ববাজারের সাতদিনের দামের গড় ভিত্তিতে কী পরিমাণ দাম বাড়বে না কমবে সে হিসেবে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক স্থবিরতা, ডলার ও তেলের দরপতন, আন্তর্জাতিক স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন উত্থান-পতন সত্ত্বেও দেশীয় স্বর্ণ বাজারের মন্দাভাব ও ভোক্তা সাধারণের কথা চিন্তা করে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বাজুস সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৩ আগস্ট থেকে বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণ ও রৌপ্যের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে।

বৃহস্পতিবার থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৫০০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৭০ হাজার ৫৬৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬১ হাজার ৮১৯ টাকায়। সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫১ হাজার ৪৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম পূর্বের নির্ধারিত ৯৩৩ টাকাই বহাল রয়েছে।

জানা গেছে, বৈশ্বিক এ মহামারির মধ্যে চারবার স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাজুস। এর আগে সবশেষ গত সপ্তাহে ৫ আগস্ট দাম বাড়ানো হয়েছে। যা ৬ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়। এর আগে ২৩ জুলাই স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছিল বাজুস। তারও আগে গত ২৩ জুন এবং ২৮ মে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছিল স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের এ সংগঠনটি।

বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সভাপতি এনামুল হক ও সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, আর্ন্তজাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে বাজুস র্নিধারিত মূল্য তালিকায় বিক্রির অনুরোধ করা হলো।

শেয়ার করুন