লিডিং ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ‍্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

ডেস্ক রিপোর্ট:করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন প্রিয় ক‍্যাম্পাসে আসতে না পারলেও থেমে নেই তারুণ্যের উচ্ছলতা। তাই তো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রানের টানে ছুটে আসে সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের ৪০তম ব‍্যাচের শিক্ষার্থীদের একটি টিম। বর্ষার মৌসুমে তাদের প্রিয় ক্যাম্পাসকে সবুজে সাজিয়ে তুলতে উদ‍্যোগ নেয় বৃক্ষরোপণের।
সেই লক্ষ্যে সোমবার (১৩ জুলাই, ২০২০) লিডিং ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের পাশে ত্রিফলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করেন তারা।
শিক্ষার্থীরা ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ‍্যোগে রোপণ করেন কৃষ্ণচূড়া, শিমুল, আমলকি, অর্জুন, হরতকি, দারুচিনি, এলাচি, সোনালু, বহেরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ ও ঔষধী বৃক্ষ। এতে আইন বিভাগের ৪০তম ব‍্যাচের পক্ষ থেকে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন এ বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী দ্বিপায়ন দ্বিপ্ত, সুরাইয়া টুম্পা, প্রতীম দাশ, সাকিব আহমদ, বাঁধন চক্রবর্তী, সৌহৃদ্য দত্ত ঐতিহ্য, আফসানা বেগম এবং সৈকত চন্দ ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লিডিং ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার মেজর (অব) মো. শাহ আলম, পিএসসি, আর্কিটেকচার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান স্থপতি রাজন দাস, সহকারি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলমগীর হোসাইন এবং আইন বিভাগের প্রভাষক মো. রেজাউল করিম।
প্রসঙ্গত এই ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বিদ্যমান বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের বিপর্যয়ের সময়ে অসচ্ছল পরিবারে খাদ্য সহযোগিতা প্রদানসহ অনলাইনে বিভিন্ন সচেতনামূলক কর্মকান্ড আয়োজন করে আসছিলো।
সামাজিক কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতায় করোনা ভাইরাস পরবর্তী নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যাশায় তারা আজ তাদের নিজস্ব ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেন।
তাদের সমাজকল্যাণমূলক পদক্ষেপ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে অভিবাদন জানিয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত চেয়ারম্যান উপমহাদেশের প্রখ্যাত দানবীর ড. রাগীব আলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (দায়িত্বপ্রাপ্ত) শ্রীযুক্ত বনমালী ভৌমিক, আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. রাশেদুল ইসলাম ।
উল্লেখযোগ্য, মা-মাতৃভাষা ও বিশ্বজনীনতা চিরন্তন। মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিরক্ষা, ভাষা শহিদদের চির অম্লান আত্মত্যাগ এবং বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠী ও অঞ্চলের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের উচ্চারণে ‘মা’ শব্দটি প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে সকল বিশ্বমাতৃকার প্রতি শ্রদ্ধা এবং সম্মান প্রদর্শনের নিদর্শন স্বরুপ নির্মিত ৫২টি ভাষার “মা” শব্দ খচিত এ শহিদ মিনারটি গত ২০ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম. এ. মান্নান এমপি।

শেয়ার করুন