ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য কওমী মাদ্রাসা শিক্ষার বিকল্প নেই : হাবীবুর রহমান যুক্তিবাদী

ভার্থখলা মাদ্রাসার ২দিনব্যাপী সম্মেলন সম্পন্ন

প্রিন্সিপাল হাফিজ মাওলানা মজদুদ্দীন আহমদের সাথে পাগড়িপ্রাপ্তরা

ডেস্ক রিপোর্ট: পীরজাদা মীর মাওলানা হাবীবুর রহমান যুক্তিবাদী বলেছেন, নবীগন নিষ্পাপ ও নিখুঁত চরিত্রের অধিকারী। তাদের মহব্বত ও অনুসরণ ঈমানের দাবি এই শিক্ষা পাওয়ার ও জানার একমাত্র মাধ্যম কওমী মাদ্রাসা৷তাই অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য কওমী মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে।
জামেয়া নূরীয়া ইসলামীয়া ভার্থখলা মাদ্রাসার দুদিনব্যাপী বার্ষিক ইসলামী মহাসম্মেলনের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির ঊক্তব্যে একথা বলেন।
বৃহস্পতিবার জামেয়া নূরীয়া ইসলামীয়া ভার্থখলা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দুদিনব্যাপী বার্ষিক ইসলামী মহাসম্মেলন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফিজ মাওলানা শায়খ মজদুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে সারারাতব্যাপী ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মাওলানা মুহিবুর রহমান মিঠিপুরী ও মাওলানা মুকাদ্দাস জামলাবাদী’র যৌথ পরিচালনায় সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন শায়খ মাওলানা মুশতাকুন নবী কুমিল্লা, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মাওলানা হাবিবুল্লাহ বাহার ঢাকা, মাওলানা নূরুল হক নবীগঞ্জী, মাওলানা আব্দুল হক জেহাদী প্রমূখ।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে আল্লামা মুফতী মুশতাকুননবী বলেন, পৃথিবীতে অশান্তি আজাব ও গজবের মূল কারণ হলো পাপ। তিনি বলেন, হারাম হালাল কোরআন হাদীস ছাড়া জানার উপায় নেই৷এজন্য আমাদের মাদ্রাসা শিক্ষার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
বিশেষ অতিথির বয়ানে মাওলানা নুরল হক নবীগঞ্জী বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। সকল ধর্মের মানুষ সমান নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারী,সে কথাটা একমাত্র ইসলামই শিক্ষা দেয়। তিনি মাদ্রাসা গুলোতে যেমন ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক আছে তেমন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাখার আহবান জানান।৷
সভাপতির বক্তব্যে জামেয়া নূরীয়া ইসলামীয়া ভার্থখলা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফিজ মাওলানা শায়খ মজদুদ্দীন আহমদ বলেন, আল্লাহর গজব থেকে বাঁচতে হলে গুনাহ থেকে তওবা করতে হবে। অন্যথায় গুনাহ ও গজব থেকে বাচার উপায় নেই। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। যে কারণে ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশে সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বীরা নিরাপদ।
মহাসম্মেলনে গত বছরের আলিম ফুযালা ২৭ জন ও হাফিজ ফুযালা ১৭ জন মোট ৪৪ জন ছাত্রকে পাগড়ি প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন