সরকারী সেবাকে জনবান্ধব করতে ‘ইনোভেশন ইন পাবলিক সার্ভিস’ ভূমিকা রাখবে

888সিলেটের সকাল রিপোর্ট: সরকারী সেবাকে জনবান্ধব এবং কম খরচে ও কম সময়ে প্রত্যাশিত সেবা পাওয়ার ব্যাপারে জনগণকে সচেতন করে তুলতে সিলেট বিভাগীয় ইনোভেশন সার্কেল এর দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং এটুআই প্রোগ্রাম এর যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার সাজ্জাদুল হাসান।

কর্মশালায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ইছহাক মিয়া, যুগ্ম সচিব ড. আব্দুর রউফ, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব শফিকুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নিমাই চন্দ্র পাল, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব খলিলুর রহমান ও এটুআই প্রোগ্রামের মানিক মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ কাজ করে যাচ্ছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে সেবা প্রদান কিছুটা সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুলও বটে। ইনোভেশন ইন পাবলিক সার্ভিস প্রোগ্রামের মাধ্যমে সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া সহজিকরণ করা সম্ভব এবং জনগণের কাঙ্খিত সেবা প্রদান সম্ভব। তারা বলেন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের এই উদ্ভাবনী আয়োজন এ অঞ্চলের সেবা প্রত্যাশী জনগণের কাঙ্খিত সেবা সহজিকরণে অবদান রাখবে।

সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও জেলা ইনোভেশন কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় নিজ নিজ জেলার ইনোভেশন নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন।

সিলেট বিভাগের ২টি পাইলটিং ইনোভেটিভ উদ্যোগ সার্কেলে উপস্থাপন করেন সিলেটের সিনিয়র এএসপি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন সোহেল ও কৃষি কর্মকর্তা সুকল্প দাস।

কর্মশালায় ২০১৫ সালের পরিকল্পনা তুলে ধরেন বিভাগীয় কমিশনার সাজ্জাদুল হাসান। পরিকল্পনায় রয়েছে- ১. বিভাগে কমপক্ষে ৮ জন উদ্ভাবনী উদ্যোগ চ্যাম্পিয়ন তৈরী করা হবে ২. প্রতি জেলায় ২টি করে পাইলট উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে ৩. সিলেট ও হবিগঞ্জ জেলায় ইনোভেশন সার্কেলের আয়োজন করা হবে। সোস্যাল মিডিয়া আড্ডা প্রতি জেলায় আগামী ৩ মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করুন