দুর্ঘটনার পর আধাঘণ্টা আটকে ছিলেন গাড়িতে, উদ্ধার করেন স্থানীয়রা

সিলেটের সকাল রিপোর্ট ।। সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার রশিদপুরে লন্ডন এক্সপ্রেস ও এনা পরিবহণের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর প্রায় আধাঘণ্টা বাসের মধ্যে আটকে ছিলেন যাত্রীরা।

চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে মারা যান চারজন। আর হাসপাতালে আনার পর মারা যান আরও চারজন।

বাসের একাধিক আহত যাত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

দুর্ঘটনা কবলিত লন্ডন এক্সপ্রেসের যাত্রী শেখ মোহাম্মদ রাহেল বলেন, ‘আমাদের বাস খুব দ্রুত চালাচ্ছিল। তবে এনা পরিবহণের গাড়িটিও দ্রুত গতিতে চালাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর প্রায় আধাঘণ্টার মতো আমরা বাসের মধ্যে ছিলাম। পরে স্থানীয়রা আমাদের চিৎকার শুনে এসে উদ্ধার শুরু করেন। পরে প্রায় আধাঘণ্টা পরে এসে পুলিশ উদ্ধার কাজে যোগ দেয়।’

স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লন্ডন এক্সপ্রেস (ঢাকা মেট্রো-ব ১৫-৩১৭৬) ও সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকামুখী এনা পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব ১৪-৭৩১১) দ্রুতগতির দুটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গেছে।

এ দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, সিলেটের উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক আল মাহমুদ সাদ ইমরান খান (৩৩), এনা পরিবহনের বাসেরচালক ওসমানীনগর উপজেলার ধরখা গ্রামের মঞ্জুর আলী (৩৮), এনার সুপারভাইজার সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিঠাভরা গ্রামের সালমান খান (২৫), হেলপার ধরখা গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন (২৪), বি বাড়িয়ার সরাইল থানার রাজানিয়াকান্দি পশ্চিম পাড়ার নুরুল আমিন (৫০), ঢাকার ওয়ারি এলাকার নাদিম আহমদ সাগর (২৯) ও সিলেট নগরের আখালিয়া এলাকা শাহ কামাল (২৭), ছাতক বাংলাবাজার এলাকার নাম রহিমা (২৬)।

শেয়ার করুন