স্বাগতম জো বাইডেন

মাছুম বিল্লাহ :ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন। আমেরিকায় কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিভেদপূর্ণ একটি নির্বাচন হলো এবার। জো বাইডেন বারাক ওবামার ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি গত শতাব্দীর ৭০-এর দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। দেশজুড়ে বেশি ভোট পাওয়া মানেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া নয়। তাকে আসলে বেশি রাজ্যের ভোট পেতে হবে। হোয়াইট হাউজে যেতে হলে প্রার্থীকে ২৭০টি ইলেকটোরাল ভোট পেতে হবে। ইলেকটোরাল ভোট আছে মোট ৫৩৮টি। ২০১৬ সালে নির্বাচনের রাতেই ডোনাল্ড ট্রাম্প বিজয়ী বলে জানা গিয়েছিল। তখন উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের ভোট মিলে ২৭০ ইলেকটোরাল ভোট নিশ্চিত হয়ে যায়। প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হতে হলে ইলেকটোরাল কলেজ বা নির্বাচকমন্ডলীর ভোটে জিততে হবে। এই লেখা পর্যন্ত জো বাইডেন ২৯০টি ও ট্রাম্প ২১৪টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়েছেন। ট্রাম্প ২০১৬ সালে ৩০৬টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ব্যবস্থা অন্য দেশের চেয়ে বেশ আলাদা। তবে সব সময়ই এ নির্বাচন সরলভাবে অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রায় আড়াইশ’ বছরের মার্কিন গণতন্ত্রের ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে বেশ কিছু চমকপ্রদ ঘটনাও ঘটেছে।

বিশ্ববাসীর মনে আছে, ২০১৬ সালে ট্রাম্পের অবিশ্বাস্য বিজয়ের কথা। নিশ্চিত দুর্গগুলোতে ট্রাম্পের বিজয় ছিনিয়ে আনার কথা। পেনসিলভানিয়া, মিশিগান আর উইসকনসিন ১৯৭২ সাল থেকে ডেমোক্র্যাটদের নিশ্চিত দুর্গগুলোতে ট্রাম্পের বিজয় ছিনিয়ে আনার কথা। বিবিসির প্রেডিকশনের খেলাটা শুরু হয় বাইডেন ২৩৩ ও ট্রাম্প ১৮৮টি ইলেকটোরাল ভোট পাবেন, তা নিশ্চিতভাবে ধরে নিয়ে। এটি ধরে নেওয়ার কারণ কলাম্বিয়া ডিস্ট্রিক্ট এবং ১৮টি নীল দেওয়াল বা ব্লুওয়াল স্টেট, যেখানে মোট ইলেকটোরাল ভোট হচ্ছে ২৪২। ১৯৯২ থেকে ২০১৬ সালের নির্বাচন পর্যন্ত এর প্রতিটি স্টেটে জিতেছেন ডেমোক্র্যাটরা, যেমন বিগ থ্রি স্টেট ক্যালিফোর্নিয়া, ইলেকটোরাল ভোট ৫৫, নিউইয়র্ক ২৯, আর ইলিনয়েস ২০। এর পাশাপাশি রেড ওয়াল হচ্ছে সেসব রাজ্য, যেখানে ২০০৮ সালে ওবামার বিজয় বাদে রিপাবলিকানরা একচেটিয়াভাবে জিতে আসছেন কয়েক দশক ধরে। যেমন আইওয়া, ওহাইও, টেক্সাস। এসব রাজ্যে এবারও ট্রাম্প এগিয়ে জরিপে। নীল দেওয়ালের ইলেকটোরাল ভোট লাল দেওয়ালের চেয়ে বেশি। ফলে বিবিসির হিসাবে বাইডেন নিশ্চিত এগিয়ে ২৩৩টি আসন, অন্যদিকে ট্রাম্প ১৮৮টিতে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩ কোটি কৃষ্ণাঙ্গ আছেন, তারা কাকে ভোট দেবেন। সবাই না হলেও নিশ্চয়ই তাদের বেশি সংখ্যক জো বাইডেনকে ভোট দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ২৩১ বছরের ইতিহাসে ৪৫ জন প্রেসিডেন্টের মধ্যে মাত্র দশজন প্রেসিডেন্ট পুনর্নির্বাচিত হতে পরেননি। এ তালিকার প্রথম দিকে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট জন্ অ্যাডামস। গত নির্বাচনে ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, নিইউয়র্ক, ফ্লোরিডা, ইলিনয় ও পেনসিলভানিয়া ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচত হওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, এবার আর সেটি হয়নি। কয়েক সপ্তাহ আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ফল তিনি মেনে নেবেন এমন কোনো সিদ্ধান্ত বা অবস্থান তিনি এখনও নিচ্ছেন না। সাম্প্রতিককালে তার একটা আন্দাজ হয়েছে, যদি প্রতিযোগতিাপূর্ণ নির্বাচন হয় তাহলে শেষ পর্যন্ত সেই নির্বাচনের ফলাফলের ভারটি গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাতে পড়তে পারে। এমনটা হয়েছিল ২০০০ সালে। আল গোর এবং প্রেসিডেন্ট বুশ এ দুইজনের ফলাফল নির্ধারিত হয়েছিল শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে। সে কথাটা হয়তো মাথায় রেখেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সেই কথা মাথায় রেখেই তাড়াহুড়ো করেন কংগ্রেসের সমর্থনে নিয়েই অ্যামি কনি ব্যারেট নামে সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারক নিয়োগ দিয়েছেন। যাতে নির্বচনের ফলাফলকে তার পক্ষে আনতে পারেন। ভাগ্যিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সেদিকে আর যেতে হয়নি।

যেসব কারণ জো বাইডেনকে বিজয়ী হতে সহায়তা করেছে সেগুলো হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম বাইডেনের পক্ষে রয়েছে। কারণ জলবায়ুর মতো অনেক ইতিবাচক প্রতিশ্রুতি ও পদক্ষেপ তরুণ প্রজন্মকে বেশ উদ্বুদ্ধ করেছে। তাছাড়া অর্থনৈতিক বৈষম্য, বর্ণবাদী বৈষম্য, এগুলোর বিরুদ্ধেও তরুণ প্রজন্ম বেশ সোচ্চার। জো বাইডেন এ বিষয়গুলো নিয়ে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। আরেকটি বিষয় হলো, যারা বয়স্ক মানুষ তাদের বেশিরভাগই রিপাবলিকান বা কনজারভেটিভ ফিলোসফিতে বিশ্বাস করেন এবং তারা সাধারণত রিপাবলিকানদেরই ভোট দিয়ে থাকেন। কিন্তু বিশ্ব মহামারি কোভিড-১৯-এর কারণে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নেতিবাচক নীতিমালার কারণে তারা একটু হতাশ। সেক্ষেত্রে বিশেষ করে ফ্লোরিডা অঞ্চলে এ হতাশ বৃদ্ধরা জো বাইডেনকে ভোট দিয়েছেন। শহরতলি অঞ্চলের মানুষ, বিশেষ করে মহিলারা গতবার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রচুর ভোট দিয়েছেন। এবারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন কথাবার্তা, কোভিড-১৯ নিয়ে হেলাফেলা, তার পাশাপাশি জো বাইডেনের ইতিবাচক বক্তব্য ইত্যাদি কারণে শহরতলির জনগণ জো বাইডেনের পক্ষে ভোট দেবেন বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে প্রতীয়মান হয়েছিল।

ট্রাম্পের একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জন্য প্যারিসের জলবায়ু চুক্তি, ইরান, নিউক্লিয়ার চুক্তি, ইউনেস্কো, ইউএন হিউমেন রাইট কাউন্সিল, ওপেন স্কাইস ট্রিটি, ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ, ইন্টারন্যাশনাল রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্স ট্রিটি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে একতরফা বেরিয়ে যাওয়ায় বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। আগের আলোচনা ছাড়াই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। তাই, দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি নির্বাচিত হয়ে আসুন তা বিশ্বের অনেক বন্ধুরাষ্ট্র হয়তো চায়নি। তাছাড়া জো বাইডেন একজন সজ্জন ও নরমপন্থি ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। ট্রাম্পের উদ্ভট চরিত্রের বিপরীতে বাইডেনের ভদ্রজনোচিত ইমেজ গোটা বিশ্বে তার গ্রহণযোগ্যতাকে এগিয়ে রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্র যখন বিশ্বব্যবস্থা থেকে সরে গেল, অনেক বিশ্ব সংস্থা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিল তার অর্থ হচ্ছে সে অন্যকে জায়গা করে দিল। সে জায়গাটিই দখল করল চীন। কারণ জায়গা খালি থাকবে না, এটাই নিয়ম। এখন বিশ্ব কাকে গ্রহণ করবে চীন না আমেরিকা? তবে,  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বকে নেতৃত্বদানে সক্ষম নয় চীন। বর্তমান বিশ্বে প্রায় ২৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ হয়, এটি নিয়ন্ত্রণ করে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা। যুক্তরাষ্ট্র এখান থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার অর্থ হচ্ছে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যাহত হওয়া। এ ধরনের একটি বিভাজন কিন্তু ট্রাম্প বিশ্বে সৃষ্টি করে গেছেন, যা মার্কিন নেতৃবৃন্দ ও জনগণ চায়নি।

যেসব চ্যালেঞ্জ জো বাইডেনকে ফেস করতে হবে-ট্রাম্পের শাসনকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিকভাবে একটি বড় ধরনের বিভাজন তৈরি হয়েছে। এটিকে সামনে রেখে জো বাইডেনকে জাতীয় ঐক্যের জন্য কাজ করতে হবে। বর্ণগত হোক আর রাজনৈতিক হোক-প্রায় সব ক্ষেত্রেই বিভাজন বিদ্যমান। জাতীয় ঐক্যের জায়গাটা তৈরি করা বাইডেনের একটি প্রধান কাজ হবে। তাছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি ইমপ্রেসিভ অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা বর্তমানে খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। তা না হলে সারা বিশ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে ভাবমূর্তি রয়েছে এবং সারা বিশ্বে তার যে ক্ষমতা তার ওপর একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। ওবামার আমলে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা শুরু হয়েছিল। বাইডেনকে এই কাজটিও এগিয়ে নিতে হবে। আমেরিকায় প্রায় এগার মিলিয়ন অভিবাসী অনিয়মিতভাবে বাস করছেন। তাদের অভিবাসন প্রক্রিয়াকে নিয়মিতকরণ করতে হবে। অভিবাসনের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির চাকাটিকে কীভাবে শক্তিশালী করা যায়, নিরপাত্তাব্যবস্থাকে নিশ্চিত করে সে জায়গাটিতে কাজ করতে হবে। যারা ৪ লাখ ডলারের বেশি উপার্জন করবেন তাদের ওপর ট্যাক্স বাড়িয়ে অবকাঠামো উন্নয়নহ অন্য কাজগুলো করবেন বলে জো বাইডেন ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেটি বাস্তবায়ন করতে হবে।

বাংলাদেশের জন্য যেসব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সেগুলো হচ্ছে- আভিবাসন নীতিমালার ক্ষেত্রে বাইডেন যেটি বলেছেন, সেটি যদি তিনি করেন তাহলে বাংলাদেশি অভিবাসী যারা আছেন, তারা সেখানে নিয়মিত হওয়ার সুযোগ লাভ করবেন। সেই সঙ্গে চেইন ইমিগ্রেশন যেমন বাবা, মা, আত্মীয়-স্বজনকে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি, যেটি ট্রাম্প বন্ধ করে দিয়েছিলেন, সেটি চালু হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয় ও পাকিস্তানি কিংবা বাংলাদেশিরা বাইডেনকে জেতাতে খুব একটা বড় ভূমিকার রাখতে পারেননি, কারণ তারা সংখ্যায় খুব একটা বেশি নন। তবে তারা কিছু কিছু জায়গায় জো বাইডেনকে জেতাতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছেন। কারণ ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতি, বিশেষ করে ইমিগ্রেশন নীতির কারণে তারা সবাই ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। ট্রাম্পের সাম্প্রতিককালের কিছু সিদ্ধান্তে শুধু ভারতীয় বা পাকিস্তানিরাই নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অভিবাসী, যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আছেন তাদের সবার মধ্যেই একটি হাতাশা সৃষ্টি হয়েছিল। ট্রাম্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের ভিসার মেয়াদ কমিয়ে দেওয়ার চিন্তাভাবনাও করছেন। কাজেই এসব কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী যারা আছেন তারা চেয়েছিলেন ট্রাম্প পরাজিত হোক এবং বাইডেন জিতে যাক। কারণ বাইডেন ঘোষণা দিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১১ মিলিয়ন বেআইনি অভিবাসীকে তিনি থাকার অনুমতি দেবেন। ডেমোক্র্যাটরা স্বাভাবিকভাবেই অবিবাসীদের প্রতি সদয় থাকেন এবং তাদের জন্য একটা অনুুকূল পরিবশে বজায় রাখেন। সুতরাং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীর সংখ্যা যাই থাকুক না কেন, তাদের সমর্থন জো বাইডেনের পক্ষে ছিল।

বাংলাদেশের সামনে যে ব্লু ইকোনমি আছে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য যে বাধাগুলো আছে সেগুলো দূর করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র সারা বিশ্ব থেকে প্রতি বছর দুই থেকে তিন ট্রিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ছয় থেকে সাত বিলিয়ন রপ্তানি করে। এটি বাড়ানো সুযোগ রয়েছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্র একটা মুক্ত অর্থনীতির দেশ। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম রেমিট্যান্স আয়ের দেশ। বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা আছে। চীনের সঙ্গে জো বাইডেন যে সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতার সম্পর্ক স্থাপন করতে চাইছেন সেটি থেকে বাংলাদেশ উপকৃত হতে পারে। এখানে ভারতও বিশাল এক ফ্যাক্টর। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্কের প্রভাব পড়বে ভারতের ওপর, যা আমাদের রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় কাজে লাগবে।

মাছুম বিল্লাহ: শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও গবেষক
শেয়ার করুন