ইনফেকশন রোধে কলার মোচা

আমাদের নিত্যদিনের খাবারের তালিকায় সবচেয়ে বেশি যে ফলটি থাকে সেটি কলা। তবে কাঁচাকলা তরকারি আর পাকা কলা খাওয়া হয় ফল হিসেবেই। তবে কলার মোচা অনেকেই খান না। গ্রামাঞ্চলে এই খাবারটির প্রচলন ছিল সবচেয়ে বেশি। তবে এখন সব জায়গাতেই এটি কমবেশি খাওয়া

হয়। কলার মোচার মধ্যে রয়েছে কার্বো-হাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, কপার, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন-ই। আর তাই তো প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে এটি।

বিশেষজ্ঞদের মতে এতে থাকা পুষ্টি উপাদান নানা রোগের দাওয়াই। তাহলে জেনে রাখুন সেগুলো

ইনফেকশন প্রতিরোধ করে : কলার মোচায় থাকা উপাদান জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগায়। এটি ম্যালেরিয়ার ব্যাকটেরিয়াকেও ধ্বংস করে। মোচা শরীরে কোনো ধরনের পরজীবী ব্যাকটেরিয়াকে জন্মাতে দেয় না বলে শরীর সুস্থ থাকে।

ক্যান্সার দূরে রাখে : শরীরে ফ্রি রেডিক্যালসের উপস্থিতি বিভিন্ন ধরনের রোগের কারণ হতে পারে। কলার মোচার নির্যাস অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। প্রাথমিকভাবে ক্যান্সারকেও দূরে রাখতে সাহায্য করে মোচা। বয়স হলে ত্বকে বলিরেখা পড়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।

ডায়াবেটিস ও অ্যানিমিয়া নিয়ন্ত্রণ করে : ডায়াবেটিস ও নারীদের অ্যানিমিয়া রোধে কলার মোচার উপকারিতা অপরিসীম। রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে এটি অতুলনীয়, আবার শরীরের হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে অ্যানিমিয়া দূরে থাকে।

উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণে রাখে : মুড সুইংয়ের সমস্যা কমাতে ডায়েটে রাখুন কলার মোচা। এটি মুড সুইং নিয়ন্ত্রণ করে উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। আর তাই অ্যান্টি ডিপ্রেশনের জন্য আলাদা করে কোনো ওষুধ খাওয়ার দরকার নেই।

পেটের সমস্যা দূর করে : কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফোলা ভাব এবং পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম (পিসিওএস) নিয়ন্ত্রণে রাখে।

হৃদরোগ ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে : কলার মোচায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উন্মুক্ত রেডিক্যালের বিরুদ্ধে কাজ করে। জারণ ক্ষয় প্রতিহত করে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এতে থাকা ফেনলিক অ্যাসিড এবং অন্যান্য বায়োঅ্যাক্টিভ রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ওয়েবসাইট

শেয়ার করুন