সিলেট বিমানবন্দর-বাদাঘাট-তেমুখি সড়ক পরিদর্শনে সওজ-এর উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল


বাদাঘাট রাস্তা পরিদর্শনে সওজের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল

ডেস্ক রিপোর্ট: সিলেটের বহুল আলোচিত বিমানবন্দর- বাদাঘাট – তেমুখি সড়ক পরিদর্শন করেছে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
শনিবার (৮ আগষ্ট) দুপুরে ঢাকা থেকে সিলেটে এসে পৌঁছেই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সিলেট বিমানবন্দর থেকে বাদাঘাট হয়ে তেমুখি পয়েন্ট পর্যন্ত বিভিন্ন স্হানে দাঁড়িয়ে পুরো সড়কের রুপরেখা পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় সিলেট সড়ক বিভাগ কর্তৃক তৈরী করা প্রস্তাবিত সড়কের নকশা (ম্যাপ) এ ত্রুটিপূর্ণ থাকায় চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিনিধি দলের প্রধান। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিজ্ঞ সার্ভেয়ার দল নিয়োগ করার মাধ্যমে ডিজিটাল সার্ভে (টিবিএম) দিয়ে সংশোধিত ম্যাপ তৈরী করতে সওজ সিলেট অফিসকে নির্দেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে সিলেট বিমানবন্দর এলাকায় রানওয়ে ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণে প্রস্তাবিত ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়টি মাথায় রেখে প্রয়োজনে সিলেট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ঐ এলাকার রাস্তার ম্যাপ তৈরী করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিনিধি দলের প্রধান, বাংলাদেশ সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম প্রধান জাকির হোসেন বলেন এ সড়কের বাস্তব অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের জন্য আমরা এখানে এসেছি। আমরা আমাদের পর্যবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট দফতরে জানাবো,পূর্বের ম্যাপ সংশোধনের মাধ্যমে এই সড়কের পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করা হবে। এতে আগামী ২-৩ মাস সময় লাগতে পারে। তিনি বলেন, আমরা যেহেতু এ রাস্তার জন্য সিলেটে এসেছি; তাহলে অবশ্যই এ রাস্তার কাজ পূর্নাঙ্গ হবে।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম প্রধান জাকির হোসেন, উপ প্রধান শামিম উজ্জামান, সওজের রোড সেফটি স্ট্যান্ডার্ড বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর সিদ্দিকী, পরিকল্পনা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিন রেজা,সওজ সিলেটের অতিরিক্ত প্রকৌশলী তুষার কান্তি সাহা, তত্বাধধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আমিন,সওজ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী রিতেশ বডূয়া।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের সাথে ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর ব্যুরো প্রধান মকসুদ আহমদ মকসূদ, সিলেট জেলা ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি সৈয়দ মকসুদ আহমদ,সিলেট ওসমানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিনিধি।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৪ আগষ্ট এ সড়কের কাজের সুচনা করেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পরবর্তীতে এ সড়কে বিভিন্ন কারণে রাস্তাটি পরিপূর্ণতা পায়নি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সিলেট -১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড,এ কে আব্দুল মোমেন এর প্রচেষ্টায় আবারো রাস্তাটির কাজের জন্য প্রায় ১০ বছর পরে আলোর মুখ দেখতে শুরু করছে। রাস্তাটি পরিপূর্ণ হলে সিলেট নগরী অনেকটা যানজট মুক্ত হবে বলে আশা করছেন সিলেটের সচেতন মহল।

শেয়ার করুন