সিলেট বিভাগে করোনায় আক্রান্ত সাড়ে ৫ হাজার ছাড়ালো

সিলেটের সকাল রিপোর্ট:সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৫ হাজার ছাড়িয়েছে। সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫৭৩ জনে। আর মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের।
স্বাস্থ্য বিভাগ, সিলেট-এর বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বুলেটিনে দেখা যায়, কোভিড-১৯ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যায় বিভাগের তিন জেলার চেয়ে এগিয়ে আছে সিলেট জেলা। এ জেলায় বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ২৯৬৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৭৪ জনের। বুলেটিন অনুযায়ী, বিভাগের বাকি তিন জেলার মধ্যে সুনামগঞ্জে ১১৩৬ জন, হবিগঞ্জে ৮৬২ জন এবং মৌলভীবাজারে ৬০৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন মরণঘাতি এ ভাইরাসে। আর এ তিন জেলার মধ্যে সুনামগঞ্জে ৮ জন, হবিগঞ্জে ৬ জন এবং মৌলভীবাজারে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বুলেটিন অনুযায়ী, আক্রান্ত মৃত্যুর ও সংখ্যা সিলেটে বেশি হলেও সুস্থতার হার কম। সুস্থতার দিকে থেকে চার জেলার মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলা এগিয়ে রয়েছে। চার জেলায় মোট আক্রান্তের মধ্যে এ পর্যন্ত ২০৪৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৬১৭ জন। আর সুনামগঞ্জ জেলায় ৭৭৫ জন সুস্থ হয়েছেন। হবিগঞ্জে ৩৩৭ জন এবং মৌলভীবাজারে ৩১৯ জন সুস্থ হয়েছেন।
গত ৫ এপ্রিল সিলেটে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় ওসামনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা: মো: মঈন উদ্দিন-এর । ১৫ এপ্রিল করোনায় আক্রান্ত এ চিকিৎসক মারা যান।
এরপর বিভাগে একে একে ৯৫ জন মারা গেছেন।
গত ২৭ এপ্রিল বিভাগে প্রথম সুনামগঞ্জে দুই রোগী করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। এরপর প্রতিদিন বিভাগের বিভিন্ন জেলার রোগীরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের বুলেটিন থেকে আরও জানা যায়, চার জেলায় বর্তমানে হাসপাতালে করোনা পজিটিভ নিয়ে চিকিৎসাধীন আছেন ২৪১ জন। এর মধ্যে সিলেটে ১০০ জন, সুনামগঞ্জে ৪২ জন, হবিগঞ্জে ৭৫ জন এবং মৌলভীবাজারে ২৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা: আনিসুর রহমান বলেন, সিলেট জেলায় পরীক্ষা হচ্ছে বেশি ; তাই শনাক্তও হচ্ছে বেশি। তবে যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে বয়োবৃদ্ধ এবং বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন এমন সংখ্যা বেশি। তিনি বলেন, প্রথম দিকে আক্রান্তের তুলনায় সিলেট জেলায় সুস্থতার হার কিছুটা কম হলেও এখন সুস্থতার সংখ্যাও বাড়ছে।

শেয়ার করুন