সিলেট ও সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি :তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল

কানাইঘাট উত্তরবাজারে ঢুকে পড়া বন্যার পানি

সিলেটের সকাল রিপোর্ট: উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণে সিলেটের নদ-নদীর পানি বাড়তির দিকে। এরই মধ্যে
সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সুনামগঞ্জের ষোলঘর পয়েন্টে শুক্রবার সন্ধ্যায় সুরমা নদী বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
হাইড্রোলজি বিভাগ জানিয়েছে, সিলেটের কানাইঘাটে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় সুরমা নদী বিপদসীমার ৭৭ সেন্টিমিটার, ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার এবং জৈন্তাপুরে সারি নদী বিপদসীমার ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সিলেট পয়েন্টে সুরমা নদী এবং আমলসীদ ও শেওলা পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্ট:
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি জানান,
দ্বিতীয় দফা পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জের ষোলঘর পয়েন্টে বিপদ সীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিবৃদ্ধির কারণে শহরতলীর নি¤œাঞ্চল ও নদীর তীরবর্তী এলাকায় প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এদিকে, শুক্রবার সকাল ৯ টায় সুনামগঞ্জে ১৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পওর-১ মো. সবিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত হলে ওই বৃষ্টির পানি সুরমা নদীতে এসে পড়ে। চেরুপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পাবে।
বৃহস্পতিবার বন্যাপূর্বাভাস কেন্দ্রের বরাত দিয়ে সুনামগঞ্জ জেলা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বন্যা মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, সিলেটের গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট ও জৈন্তাপুর এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার ও ছাতকের নিম্নাঞ্চল এরই মধ্যে প্লাবিত হয়েছে বলে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন