বিশ্বনাথের মানবপাচারকারী রফিকুল অবশেষে গ্রেফতার

সিলেটের সকাল রিপোর্ট: সিলেটে বিশ্বনাথের মানবপাচারকারী রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯।
বিদেশে পাঠানোর নামে ৩৬ বাংলাদেশি নাগরিককে ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবিতে নিহত মামলার প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম।
স্থানীয় একজন সাংবাদিক জানান, বিশ্বনাথ থেকে সোমবার বিকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-৯ এর মুখপাত্র এএসপি ওবাইন সংবাদ মাধ্যমের কাছে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামি রফিকুল ইসলাম মানবপাচার সংক্রান্ত ৬ মামলার আসামি। আসামিকে তাদের হেফাজতে রয়েছে। ২০১৯ সালের ১১ মে ট্রলার ভূমধ্যসাগরে ট্রলার ডুবির ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৩৬ বাংলাদেশি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,দেশের মানবপাচার চক্রের অন্যতম শীর্ষ আসামি রফিকুলের বিরুদ্ধে মামলা করায় বাদীকে অস্ত্র দিয়ে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা ও করেছিল মানবপাচার চক্র। এ ব্যাপারে রফিকুলসহ তার ৫ সহযোগীর বিরুদ্ধে বিশ্বনাথ থানায় মামলাও হয়েছিল। ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর দায়ের করা মামলা নং ২১।

উপজেলার নওধার মাঝপাড়া গ্রামের ইলিয়াস আলীর পুত্র রেজাউল ইসলাম রাজু মামলাটি দায়ের করেছিলেন। এতে মামলার প্রধান আসামী উপজেলার কাঠালীপাড়া গ্রামের মৃত চমক আলীর পুত্র রফিকুল ইসলামকে প্রধান আসামি ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলী চেরাগী গ্রামের সৈয়দ আলীর পুত্র শাহিন আহমদকে আসামি করা হয়।

এই মামলায় গ্রেফতার করা হয় মানবপাচার চক্রের মূল হোতা রফিকুলের সহযোগী রাজনগর গ্রামের মৃত আতর আলীর পুত্র আবদুল কাদির, রামপাশা গ্রামের মৃত আবদুল মানিকের পুত্র আলী হায়দার মহুরী, বিশ্বনাথ নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা আসু মিয়ার পুত্র আবুল কালামকে।
এছাড়াও ২০১৯ সালের ১৬ মে মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইনে মামলা হয় রফিকুলের বিরুদ্ধে। মামলা নং ৮। কয়েকটি মামলায় রফিকুলের পরিবারের পুত্র-কন্যাসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্যকেও আসামী করা হয়েছিল। মানবপাচার আইনের মামলায় ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রফিকুলের মেয়ে পিংকিকে ও গ্রেফতার করেছিল র‌্যাব-৯।

শেয়ার করুন