দুই যুগ পর বর্নি উচ্চ বিদ্যালয় এমপিওভূক্ত হলো যেভাবে-

অধ্যক্ষ শাকির উদ্দিন:১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জের বর্নি উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘ দুই যুগ পর ২০২০ সালে এমপিওভূক্ত(মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) হলো। এ কারণে উৎফুল্ল এলাকার মানুষ। অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দিপু মনি এমপিসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি।
যাত্রা শুরু যেভাবে-
১৯৯৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করে গ্রামের বাড়িতে যাই। মনের মধ্যে ঘুরপাক খায় একটা স্কুল প্রতিষ্ঠা করার । সাহস করতে পারি না । তখনকার সময়ে এ অঞ্চলের সবাই ছিল মাদ্রাসামুখী। মাদ্রাসায় পড়ালেখা করানোর প্রতি আগ্রহ ছিল বেশি। আধুনিক শিক্ষা ভাল চোখে দেখত না এলাকার অনেক মানুষ। স্কুল প্রতিষ্ঠা করার জন্যে তৎকালীন রনিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের দুই দুই বারের চেয়ারম্যান এম তৈয়বুর রহমানের সাথে পরামর্শ করার করি। তিনি আমাকে উৎসাহ এবং পরামর্শ দেন। এম তৈয়বুর রহমান একজন সমাজ সচেতন এবং শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি ছিলেন। এলাকার উন্নয়নই ছিল তাঁর নেশা এবং পেশা। স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্নি এবং গৌরীনগর গ্রামবাসীকে নিয়ে কয়েকটি মিটিং করি। মাওলানা নছির উদ্দিন, ইয়াজ আলী মুরব্বী, মাহমুদ আলী কানাই মুরব্বী, নুরুল আমিন , আব্দুল হক মেম্বার, ওয়াছির মেম্বারের সভাপতিত্ব বেশ কয়েকটা মিটিং করি পশ্চিম বর্নি মসজিদ, পূর্ব বর্নি মসজিদ ও বর্নি মাদ্রাসায়। দুঃখের বিষয় হলো, এ সকল মিটিং থেকে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় জমি ম্যানেজ করা যায়নি।
ফের দেখা করি, এম তৈয়বুর রহমান চেয়ারম্যান এবং গৌরীনগরের আব্দুল মান্নান চেয়ারম্যানের সাথে। তাঁরা দুজনই সময় করে আসেন আমাদের বাড়িতে । তাদের সাথে আমি ডাকলাম আমার চাচা মাহমুদ আলী, শুকুর মোল্লা মেম্বার, শামছুল ইসলাম ঠিকাদার এবং আমার বড় ভাই মেহের উদ্দিনকে। আমরা সবাই মিলে আমার বাবা আলহাজ্ব মোজাফ্ফর আলীকে বুঝিয়ে এক একর জমির ব্যবস্থা করি এবং তাঁকে বর্নি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার মর্যাদা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই।
১৯৯৭ সালে ২৭ মার্চ আমার বাবা আলহাজ্ব মোজাফ্ফর আলী মজই, আব্দুল হক মেম্বার, ঠিকাদার শামছুল ইসলাম, ভাটরাই উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হক স্যার, হানিফ খন্দকার, মোবারক মুরব্বীসহ তাদের নিয়ে ৯৯ শতক জমি “বর্নি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়”-্এর অনুকুলে রেজিস্ট্রি করি। শুরু হয় স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক যাত্রা।

প্রাথমিকভাবে চেয়ারম্যান এম তৈয়বুর রহমান ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৫৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন-এ অর্থ দিয়ে দ্বিতল ভবনের ভিত্তি স্থাপন করা হয় । পরবতীর্তে আরো ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন। তিনি এ অর্থ দিয়েও বিদ্যালয় ভবন সম্পন্ন করা যায়নি।
চলে যায় আরো তিন বছর । চেয়ারম্যান এম তৈয়বুর রহমান ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বে না থাকায় আমরা আর কোন বরাদ্দ পাইনি। ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত যে কয়টি সভা হয়েছে এতে সভাপতিত্ব করেছেন মাহমদ আলী কানাই মুরববী । ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত স্কুলের সকল প্রয়োজনে সভাপতিত্ব করেছেন পশ্চিম বর্নির মাওলানা নছির উদ্দিন মুরববী । তিনি সভাপতি থাকাকালে স্কুল ঘর সম্পূর্ণকরণ ও পাঠদান শুরু করার জন্যে অনেক পরিশ্রম করেন। তাঁর প্রতি আমার বিশেষ কৃতজ্ঞতা ।

স্কুলঘর পাঠদানের উপযোগী না হওয়াতে পূর্ব বর্নি মসজিদের মক্তব ঘরে ২০০০ সালে মাওলানা নছির উদ্দিন এর সভাপতিত্বে আমি এবং কুমিল্লার বাসিন্দা শিক্ষক হানিফ, গৌরীনগরের শিক্ষক আফজাল, পূর্ণাছগ্রামের শিক্ষক মাহবুবকে নিয়ে ১৮ জন শিক্ষার্থী দিয়ে পাঠদান শুরু করি বিদ্যালয়ের।
২০০২ সালে আব্দুল হক মেম্বারকে সভাপতি করে মুহিবুর রহমান, রশিদ আহমদ, তমিজুর রহমান, সাহাব উদ্দিন, আশরাফ আহমদ, শিব্বির আহমদ, আলী আকবর, নূর মিয়া, সিরাজুল ইসলামসহ অন্যদের নিয়ে মিটিং করি মুহিবুর রহমান এর বাড়িতে। সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, আমরা প্রত্যেকে মাসে ১০০ টাকা করে চাঁদা দেব এবং পাঠ দান চালিয়ে যাব। এতে ও শিক্ষকদের বেতন সংকুলান না হওয়ায় আমরা কাটাখাল বেবি স্টেশন থেকে চাঁদা কালেকশন করে শিক্ষকদের বেতন দেয়ার চেষ্টা করি।
২০০০-২০০৭ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত আমি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করি সম্পূর্ন বিনা বেতনে। বেতন নেয়া তো দূরে থাক, স্কুলের প্রয়োজনে যেখানে যত খরচ হয়েছে, তা করেছি।
২০০৩ সালে প্রবাসী আব্দুল হাসিম ভাইয়ের মাধ্যমে আমরা ৬০ হাজার টাকা পাই। এ টাকা দিয়ে সভাপতি আব্দুল হক মেম্বার এবং আমি কোম্পানিগঞ্জ জনতা ব্যাংকে স্কুলের জন্যে রিজার্ভ ফান্ড এবং জেনারেল ফান্ড গঠন করি। হাসিম ভাই এবং হাসিম ভাইকে সৌদি আরব থেকে যারা সহযোগিতা করেছিলেন তাদের সকলের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা।

২০০৬ সালে এক সভার মাধ্যমে হান্নান ভাই রনিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হলে তাকে বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত করা হয় । তিনি ২০১০ সাল পর্যন্ত স্কুলের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন । তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালে স্কুল ঘর তৈরি এবং২০০৬ সালে ইসলামিক রিলিফ ফান্ড, উপশহর থেকে ৮ লক্ষ টাকায় ১১৭ শতক জমির উপর ৮ ফুট উচ্চতায় মাঠ ভরাট কাজে সহযোগিতা করেন। মাঠ ভরাট কালীন সময়ে স্কুলের জন্যে ১৮ শতক জমি দান করেন মুরববী আব্দুল খালিক । তার প্রতি আমার বিশেষ কৃতজ্ঞতা । হান্নান ভাই রনিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালে স্কুলের জন্যে অনেক অর্থ বরাদ্দ পেয়েছি এবং ঐ সময়ে স্কুলের জন্যে যথেষ্ট সময় দিয়েছেন । তার প্রতিও আমার বিশেষ কৃতজ্ঞতা ।

২০০০ সালে স্কুলের পাঠদান শুরু করা ও চালিয়ে যাওয়া সহজ কাজ ছিল না। মুরববী পর্যায়ের অনেকেই মাদ্রাসার পাশাপাশি স্কুল প্রতিষ্ঠা ভাল চোখে দেখেননি । এম তৈয়েবুর রহমান চেয়ারম্যানের উৎসাহ, মাওলানা নছির উদ্দিন, আব্দুল হক মেম্বার, ওয়াজির মেম্বার, শামছুল ইসলাম ঠিকাদার, শুকুর মোল্লা মেম্বারসহ অন্যদেও সহযোগিতায় আমারা পাঠদান চালিয়ে যাই। গৌরীনগরের জামাল ভাইয়ের বিয়েতে পাওয়া ৪ খানা চেয়ার থেকে আমরা ২টি নিয়ে আসি স্কুলের জন্যে ।
আব্দুল হক মেম্বারের বরই গাছ কেটে ডেক্স-বেঞ্চ তৈরি করি। সয়বুর ভাইয়ের ভাঙ্গা চেয়ারটা আমরা স্কুলের কাজে লাগাই। মঙ্গলা মুরববী, আছকর আলী মুরববী ফ্রিতে ডেক্স- ব্রেঞ্চ তৈরি করে দেন। পূর্ব বর্নি মক্তব ঘরের দরজা ভেঙে গেলে আমি নিজেই দরজা তৈরির চেষ্টা করি। বাবার ছাদের উপর যতœ করে রাখা কাঠ নিয়ে যাই ডেক্স-ব্রেঞ্চ তৈরি করার জন্যে । ছাত্র ছাত্রীরা বিনা বেতনে পড়ত কোন বেতন দিত না। তখনকার সময়ে আমরা যারা কষ্ট করেছি এখন কে বুঝবে সেসব কষ্ট । যারা দেখেনি তারা কি করে বুঝবে। স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে আমার উচ্চ শিক্ষায় বিঘœও ঘটেছে-যা এখন আমি মর্মে মর্মে উপলব্দি করছি।
২০০৭ সালে আমি সালুটিকর কলেজের প্রভাষক পদে যোগদান করলে সভাপতি হান্নান চেয়ারম্যান বরাবরে আবেদনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক এর পদ থেকে বিদায় নেই । সভাপতি হান্নান ভাই পরবর্তীতে মোর্শেদ আলমকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেন । তিনিও স্কুল থেকে চলে যান ২০০৯ সালে । এরপর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয় সাংবাদিক কাম শিক্ষক আব্দুল জব্বারকে। তিনিও চলে যান ২০১০সালে। ২০১০ সালের পর থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয় সজ্জাদুর রহমানকে।
২০১০-২০১১ সালে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মুহিবুর রহমান পশ্চিম বর্নি । ২০১২-২০১৩ সালে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন নূর মিয়া পশ্চিম বর্নি । ২০১৪ সাল থেকে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মুরব্বী আব্দুল খালিক।
দীর্ঘ ২৪ বছর বর্ণি উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য যারা অর্থ দিয়েছেন, শ্রম দিয়েছেন, উৎসাহ দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন আমি তাদের সকালের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। বিশেষ করে স্পীকার মরহুম হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম এম তৈয়বুর রহমান, মওলানা নছির উদ্দিন পশ্চিম বর্ণি, আব্দুল হক মেম্বার গৌরীনগর, মাহমুদ আলী পূর্ব বর্নি, ইয়াজ আলী মুরব্বী বিলাজুর, আব্দুল হক স্যার ভাটরাই, হানিফ খন্দকার ঢালার পার, হাজী সিকন্দর আলী পড়ুয়া, আব্দুল বাছির চেয়ারম্যান পাড়–য়া, মতিন মেম্বার রাজ নগর, টুনু মেম্বার কুড়ারপার, নৈমুল্লা মুরব্বী বর্নি, শিক্ষক আফজাল গৌরীনগর, হানিফ কুমিল্লা, মাহবুব পূর্ণাছগাম, জয়নাল আবেদীন সুন্দাউরা, মেহের উদ্দিন পূর্ব বর্নি, আলা উদ্দিন পূর্ব বর্নি, শুকূর মুল্লা পূর্ব বর্নি, শফিকুর রহমান পূর্ব বর্নি, সাজির আলী পশ্চিম বর্নি, সামছুল ইসলাম রহমান ডাকাতি বাড়ি, মওলানা আইয়ুব আলী ডাকাতি বাড়ি, আব্দুর রব ডাকাতির বাড়ি, মাস্টার মখলিছুর রহমান দলইরগাও, জয়গুন বিবি মেম্বার পশ্চিম বর্নি, শফিকুল মুরববী গৌরীনগর,সাজিদুর রহমান তেলিখাল, সুনা মিয়া মেম্বার খাগাইল, নূর মিয়া চেয়ারম্যান দলইর গাও, কমর উদ্দিন দলইর গাও, আব্দুল মান্নান চেয়ারম্যান- গৌরীনগর, হাজী আব্দুল করিম গৌরীনগর, আব্দুল বারিক চাতলপার, হাবিবুর রহমান ভুট্টো বর্নি, আছকর আলী মেম্বার কান্দিবাড়ি, আব্দুল খালিক মেম্বার- বর্নি, হাজী ইউসুফ আলী বর্নি, আহাদ মেম্বার কান্দিবাড়ি, জামাল উদ্দিন গৌরীনগর, মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম কলাবাড়ি, মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম কলাবাড়ি, আলিম উদ্দিন কলাবাড়ি, আবুল হাসান বড়লেখা, নূর উদ্দিন বতুমারা, লোকমান হাকিম সুন্দাউরা, মুনতাছির আলী বিশ্বনাথ, দিপক দাদা উপশহর, বদরুল ইসলাম বহর, বতন চেয়ারম্যান বহর, ওযাহিদ আলী বিলাজুর, সয়বুর রহমান পূর্ব বর্নি, মুক্তিযোদ্ধা তজই মিয়া আঙ্গারজুর, জহুর উদ্দিন পূর্ব বর্নি, জাহের আলী প্রধান শিক্ষক, দলইর গাও উচ্চ বিদ্যালয়, শংকর চন্দ্র প্রধান শিক্ষক থানা সদর সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, মাওলানা আব্দুল নূর বর্নি, মাহবুব হোসেন গৌরীনগর, মাওলানা ফয়জুর রহমান গৌরীনগর, মাওলানা ফারুক আহমদ পূর্ব বর্নি, তাজ উদ্দিন পূর্ব বর্নি, নুরুল আমিন গৌরীনগর, ইদ্রিস আহমদ জাকারিয়া বিলাজুর, ইসরাইল ড্রাইভার করগাও, রুশন ড্রাইভার ধুপাগুল, ওয়াজিব উল্লাহ মুরববী বর্নি, মিছির আলী বর্নি রাসিদ আলী মুরববী পশ্চিম বর্নি, মুহিবুর রহমান পশ্চিম বর্নি, সাহাব উদ্দিন গৌরীনগর, তমিজুর রহমান পশ্চিম বর্নি, রশিদ আহমেদ বর্নি, আশরাফ আহমদ পশ্চিম বর্নি, শিব্বির আহমদ বর্নি পূর্ব পাড়া, আলী আকবর বর্নি, নূর মিয়া পশ্চিম বর্নি, সিরাজুল ইসলাম বর্নি প্রমুখ ।
উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ কোন না কোনো ভাবে ১৯৯৬ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত আমার সময়ে স্কুল প্রতিষ্ঠাকালে বিভিন্ন ভাবে আমাদের কে সহযোগিতা করেছেন, আমরা তাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই। সর্বোপরি যার ৯৯ শতক জমি দান হিসেবে পাওয়া না গেলে বর্নিতে স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যেতো – সেই ব্যক্তি বর্নি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মোজাফ্ফর আলীর প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রইলো।
দীর্ঘদিন পর হলেও বর্নি উচ্চ বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত হয়েছে-এটা আমাদের জন্য খুশির সংবাদ। প্রিয় প্রতিষ্ঠানটি ভালো চলুক-এই প্রত্যাশায় ।

মুহাম্মদ শাকির উদ্দিন: অধ্যক্ষ, সালুটিকর ডিগ্রি কলেজ, সিলেট। সাবেক প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক, বর্নি উচ্চ বিদ্যালয়।

শেয়ার করুন