কাউন্সিলর লায়েক কর্তৃক সিসিকের ১২৫ বস্তা ফিরিয়ে দেয়া নিয়ে নগরীতে নানামুখী আলোচনা

গণমাধ্যমে নিজের বক্তব্য তুলে ধরলেন কাউন্সিলর

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এ কে এ লায়েক কর্তৃক কর্পোরেশন থেকে ১২৫ চাল নিয়ে তা ফেরত দেয়ার ঘটনা নিয়ে নগরীতে চলছে নানামুখী আলোচনা। এ নিয়ে পত্র-পত্রিকায় রিপোর্টও প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন এ কাউন্সিলর।
তার বক্তব্য নিম্নরুপ:বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘কাউন্সিলর লায়েকের বাসা থেকে ১২৫ বস্তা চাল উদ্ধার’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত এ সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে রাতের আঁধারে জোর করে আনা সিসিকের খাদ্য ফান্ডের ১২৫ বস্তা চাল আমার বাসা থেকে ফিরিয়ে নিয়েছে সিসিক কর্তৃপক্ষ। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এই সংবাদে আমার মানসম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

তিনি জানান, প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে-‘গত বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে আমার ৩নং ওয়ার্ডে বিতরণের জন্য সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে ১২৫ বস্তা চাল আমার বাসায় পাঠান সিসিক কর্তৃপক্ষ। ত্রাণ সামগ্রীর সাথের অন্যান্য উপাদান ডাল, তেল, লবণ ও পেঁয়াজ পরের দিন প্যাকেট করার জন্য আমার ওয়ার্ডে পাঠানোর কথা। কিন্তু বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সিটি কর্পোরেশন থেকে আমাকে জানানো হয়-আমার ওয়ার্ডে ২৫০০ প্যাকেট ত্রাণ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এবং পূর্বে পাঠানো ১২৫ চাল ফেরত দিয়ে প্যাকেট করা ত্রাণ গ্রহণ করার জন্য। এর প্রেক্ষিতে আমি সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ১২৫ বস্তা চাল ফিরিয়ে দেই এবং পরবর্তীতে আমার ওয়ার্ডে পাঠানো ২৫০০ প্যাকেট ত্রাণ গ্রহণ করি।’
কিন্তু একটি বিষয় আমাকে খুবই মর্মাহত করেছে যে, ‘আমি যখন ওয়ার্ডের অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছি, তখন আমাকে জড়িয়ে এমন সংবাদ প্রকাশ করা হয়। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
এছাড়া ১২৫ বস্তা চাল সকল কার্যপ্রণালী সম্পন্ন করে আমার বাসায় পাঠানো হয় এবং আমার স্ত্রী তা স্বাক্ষর করে এগুলো গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে শুক্রবারও সিসিকের কর্মকর্তারা আমার বাসা থেকে সকল প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করে ১২৫ বস্তা চাল গ্রহণ করেছেন এবং ২৫০০ প্যাকেট ত্রাণ পাঠিয়েছেন। যার সকল কাগজপত্র আমার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
কাউন্সিলর লায়েক বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশন থেকে ত্রাণসামগ্রী পাওয়ার পর শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকেই জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন, পুলিশ প্রশাসন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বিতরণ শুরু হয়েছে।’-বিজ্ঞপ্তি।

শেয়ার করুন