সুনামগঞ্জের প্রফেসর ডা. কবির চৌধুরী ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ এ মনোনীত

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ।। সুনামগঞ্জের কৃতি সন্তান অধ্যাপক ডা. ওবায়দুল কবীর চৌধুরী চিকিৎসাবিদ্যায় জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালের ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ এ মনোনীত হয়েছেন। আগামী ২৫ মার্চ সকাল ১০টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রদান করবেন।

অধ্যাপক ডা. ওবায়দুল কবীর চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি ১৯৫১ সালের ৩০ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক ও জগন্নাথ কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন তিনি। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে কৃতিত্বের সাথে এমবিবিএস পাস করেন। তিনি ১৯৭৬ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন।

কবির চৌধুরী মধ্যপ্রাচ্যে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত থাকার পর উচ্চ শিক্ষার্থে ভিয়েনা ও লন্ডন গমন করেন। তিনি অত্যন্ত সুনামের সাথে ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চর্মরোগ বিষয়ে ডিগ্রি লাভ করেন এবং লন্ডন সেন্ট থমাস হাসপাতালে চর্ম রোগ, চর্ম প্যাথলজি এবং গ্লাসগো রয়েল কলেজের ফেলোশিপ লাভ করেন।
তিনি আমেরিকার হার্ভার্ড মেডিকেল কলেজ থেকে স্কিন লেজার এবং স্কিন প্যাথলজীর উপরে উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হন। এছাড়া, তিনি কানাডার অটোয়া
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে নিয়োজিত হন এবং কৃতিত্বের সাথে কর্মকাল অতিবাহিত করেন। বর্তমানে ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিজিটিং প্রফেসর এবং এম এইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ হিসেবে দীর্ঘদিন থেকেও দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি তাঁর নিজস্ব ন্যাশনাল স্কিন সেন্টারের চেয়ারম্যানের দায়িত্বেও রয়েছেন।

কবির চৌধুরী দেশে-বিদেশে বহু সেমিনার সিম্পোজিয়ামে তাঁর গবেষণামূলক প্রবন্ধ পাঠ করেন। বাংলাদেশের প্রথম চর্ম সার্জারির উপর টেক্সট বই প্রকাশ করেন কবির চৌধুরী। তিনি কলকাতার রিতা স্কিন ইনস্টিটিউটের ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন।

শেয়ার করুন