মহিলা কলেজ ও রসময় স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্যদের সাথে মেয়র আরিফের মতবিনিময়

সিলেটের সকাল ডেস্ক ।। সিলেট সরকারী মহিলা কলেজ ও রসময় মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জগন্নাথপুরের পাইল গাও’র জমিদার প্রয়াত ব্রজেন্দ্র নারায়ন চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন।

সোমবার নগরভবনে শিক্ষানুরাগি প্রয়াত ব্রজেন্দ্র নারায়ন চৌধুরীর ৭ উত্তরসূরী সৌজন্য সাক্ষাত করেন। প্রয়াত ব্রজেন্দ্র নারায়ন চৌধুরীর দৌহিত্রী অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক ভাস্বতী চক্রবর্তী, নাতজামাই দি টেলিগ্রাফের সাংবাদিক আশিস চক্রবর্তী, দৌহিত্রী বিজ্ঞানী ড. অপর্ণা বসু, নাতজামাই আইএস অফিসার (অব.) দীপংকর বসু, পৌত্র কেমিক্যাল ইনঞ্জিনিয়ার; ওএনজিসি প্রতাপ নারায়ণ চৌধুরী, নাত বৌ শুক্লা চৌধুরী ও দৌহিত্রী ট্রান্সপোর্ট ইকোনোমিস্ট মিতালী চৌধুরী এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এসময় সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, কাউন্সিলর শান্তনু দত্ত শন্তু, কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ, আব্দুল মুহিত জাবেদ, এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জল, সিকান্দর আলী, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানু ও শাহানারা বেগম।

সৌজন্য সাক্ষাতে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী শিক্ষানুরাগি ব্যক্তিত্ব প্রয়াত ব্রজেন্দ্র নারায়ন চৌধুরী পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান। সিলেটের শিক্ষার উন্নয়নে তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন তিনি।

জগন্নাথপুরের পাইল গাও’র জমিদার প্রয়াত ব্রজেন্দ্র নারায়ন চৌধুরী সিলেট অঞ্চলের শিক্ষার উন্নয়নে তাঁর নিজ এলাকায় প্রতিষ্ঠা করেন “পাইল গাও ব্রজনাথ উচ্চবিদ্যালয়। তাঁর পিতা রসময় চৌধুরীর নামে সিলেট নগরীর দাড়িয়া পাড়ায় প্রতিষ্ঠা করেন রসময় মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয়।

পাইল গাওয়ের জমিদার ব্রজেন্দ্র নারায়ন চৌধুরীর সিলেট শহরের চৌহাট্টায় ছিল একটি সুবিশাল বাড়ি। এ অঞ্চলের শিক্ষার উন্নয়নে তিনি তাঁর এই বাড়িতেই প্রতিষ্ঠা করেন সিলেট মহিলা কলেজ। যা বর্তমানে সিলেট সরকারী মহিলা কলেজে হয়েছে। প্রতিষ্ঠাকালিন অধ্যক্ষ হিসাবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রজেন্দ্র নারায়ন চৌধুরীর কাকা রায়বাহাদুর সুখময় চৌধুরী ছিলেন তৎকালিন সিলেট পৌরসভার চেয়ারম্যান।

শেয়ার করুন