আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে….

সিলেটের সকাল ডেস্ক ॥ নগরের সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ট্রাফিক এডুকেশন নেটওয়ার্ক (টেন) এর কমিটি গঠন করা হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা থেকে নিজেকে এবং অন্যকে বাঁচানোর লক্ষ্যে ‘আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে এ কমিটি গঠন করা হয়।

উক্ত কমিটির মাসের প্রথম রোববার এ্যাসম্বলিতে ১০টি নিয়ম পাঠ করারে এবং স্কুল ছুটির পর নিকটবর্তী সুবিধা জনক স্থানে কমপক্ষে ৩০ মিনিট এই নিয়মগুলো মানতে পথচারীদের উৎসাহিত করবে। নিয়মগুলো হচ্ছে- ফুটপাত ব্যবহার, ফুটপাত না থাকলে ডান দিকে প্রান্ত দিয়ে হাঁটা, রাস্তায় হাঁটতে মোবাইল বা হেডফোন ব্যবহার না করা, ফুটওভার ব্রীজ- জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করা।

ফুটওভার ব্রীজ- জেব্রা ক্রসিং না থাকলে ডান-বাম দেখে রাস্তা পার হওয়া, রাস্তা পারাপারের সময় হঠাৎ দৌড় না দেওয়া, চলন্ত অবস্থায় যানবাহনে ওঠা-নামা থেকে বিরত থাকা, যানবাহন থেকে নামার সময় বাম পা সামনে দিয়ে নামা, প্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছর) হওয়ার পর ট্রাফিক আইন মেনে যানবাহন চালানো এবং ট্রাফিক সাইন, ট্রাফিক আইন জানা এবং মানা।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ জানায়, ‘সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণ ও স্কুল পর্যায়ে ট্রাফিক নিয়ম কানুন সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিলেট সরকারী পাইলট স্কুল হতে এই কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় এবং আজ সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘টেন’ এর কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ক্রীড়া শিক্ষক আব্দুল মজিদের তত্ত্বাবধানে ১০ম শ্রেণীর ছাত্র মকসুদুল করিম লিমনকে সভাপতি ও ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী কাজী ইসরাত নেহাকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০জন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটিকে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ হতে একটি হ্যান্ড মাইকও প্রদান করা হয়েছে।

কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ইলিয়াছ মিয়া। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ, ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ফয়সল মাহমুদ, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) নিকুলিন চাকমা, ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) জ্যোতির্ময় সরকার পিপিএম, টিআই (প্রশাসন) মোঃ মুহিবুর রহমান ও সার্জেন্ট ফাহাদ চৌধুরী।

শেয়ার করুন