অবশেষে দুঃখপ্রকাশ করে গণবিজ্ঞপ্তি সিসিকের!

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: সিলেট নগরের ব্যস্ততম পূর্ব জিন্দাবাজার-নাইওরপুল পয়েন্ট সড়ক। এ সড়কেই গত শনিবার দিবাগত রাত থেকে দু’টি কালভার্ট ভাঙার কাজ শুরু হয়। ফলে রোববার ভোর থেকে সড়কে চলাচলকারী জনসাধারণ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

বিশেষ করে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এ সড়কের বারুতখানা পয়েন্টের অদূরের উন্দাল রেস্টুরেন্টের সামনের এবং নাইওরপুল পয়েন্টের অদূরে ফরচুন গার্ডেনের সামনের কালভার্ট দু’টি ভেঙে ফেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা।

যে কারণে সকালে এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারীরা বেশ ভোগান্তিতে পড়েন। তবে চলাচলকারীদের সুবির্ধাতে দুই পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বাঁশের সাকো নির্মাণ করে দেওয়া হলেও ভোগান্তি কমেনি। ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পথচারীসহ নগরবাসীরা।

এর ঠিক তিন’দিন পর শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে সিসিক কর্তৃপক্ষের। মঙ্গলবার স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নগরবাসীর সাময়িক অসুবিধার কারণে দুঃখ প্রকাশও করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে জিন্দাবাজারস্থ পয়েন্টস্থ পুরাতন সরু কালভার্ট, উন্দাল হোটেলের নিকটস্থ কালভার্ট ও নাইওরপুলস্থ হোটেল ফরচুন গার্ডেনের নিকটস্থ কালভার্ট এবং এসএমপি’র নিকটস্থ কালভার্টগুলো ভেঙ্গে প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

‘এজন্য ১৪ জানুয়ারি থেকে জিন্দাবাজার পয়েন্ট হতে বারুতখানা পয়েন্ট এবং অনুরাগ হোটেলের সম্মুখ হতে নাইওরপুল পয়েন্ট পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ থাকবে। যানবাহন চালকগণকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারে অনুরোধের করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।’

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পাশাপাশি মাইকিং করেও এ পথ বন্ধ থাকার বিষয়টির প্রচারণা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান বলেন, ‘সড়ক প্রশস্থ করার জন্য এ কালভার্ট দু’টি ভাঙা হয়েছে। প্রকৌশলীদের পরামর্শক্রমেই পুরো কালভার্ট ভাঙতে হয়েছে। কারণ অর্ধেক করে কাজ করলে কালভার্ট টেকসই হবেনা।’

‘তবে ওয়ার্ক অর্ডারে ছয়মাসের সময় থাকলেও ঠিকাদারদের এক মাসের মধ্যেই কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে বলেও জানান এ প্রকৌশলী ।’

শেয়ার করুন