হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আবু সুফিয়ান ১১ দিন ধরে অনুপস্থিত

হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ॥ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের টেন্ডারের দুর্নীতি নিয়ে মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই অনুপস্থিত রয়েছেন অধ্যক্ষ ডা. আবু সুফিয়ান। ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত। তিনি পারিবারিক কারণ ও অসুস্থতা দেখিয়ে ছুটি চেয়ে একটি আবেদন প্রদান করেন পরিচালক চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বরাবর। ই-মেইলে একটি কপি শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজেও প্রেরণ করেন। ফলে সহকারী অধ্যাপক ডা. সোলায়মান সেখানে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু আর্থিক কোনো ক্ষমতা এবং চাবি না থাকায় তিনি নিয়মিত কাজের বাইরে কোনো কিছু করতে পারছেন না।
এদিকে, দুদক হবিগঞ্জের সহকারী উপ-পরিচালক আব্দুল মালেক, উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল মোতালেব ও কনস্টেবল মো. ছদরুল আমীনসহ অন্যরা মঙ্গলবার এ মেডিকেল কলেজে অভিযান চালান।
হবিগঞ্জ দুদকের কর্মকর্তা কামরুজ্জামান জানান, প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমতি এলে পরবর্তীতে বিস্তারিত তদন্ত ও মামলার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে। এ সময় টেন্ডারের কাগজপত্র জব্দ করে দুদক প্রতিনিধি দল।
এদিকে, অধ্যক্ষ ডা. আবু সুফিয়ান ক্যাম্পাসে না এলেও টেন্ডার দুর্নীতি নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ করা হলে হবিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। সেখানে টেন্ডারের বিষয়ে অডিট হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কিন্তু শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে গেলে কোনো অডিট রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।
প্রতিষ্ঠানের প্রধান সহকারী কাম-হিসাব রক্ষক সজল কান্তি দেব বলেন, এখানে কোনো অডিট রিপোর্ট প্রদান করা হয়নি। তিনি জানান, ঢাকার সেগুনবাগিচার বিশ্বব্যাংকের বৈদেশিক সাহায্য নামে একটি প্রতিষ্ঠান অক্টোবর মাসে এখানে অডিট করে।
প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধিকাংশ স্টাফ এখানে প্রেষণে কর্মরত। ফলে তারা নিজ নিজ অফিস থেকে বেতন পান।

শেয়ার করুন