সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ সড়কে বিআরটিসির দোতলা বাস

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ সড়কে চালু হয়ে বাংলাদেশ সড়ক কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) দোতলা বাস। এর ফলে সিলেট বিভাগে দীর্ঘ পনের বছর পর সরকারি পরিহন সংস্থার দোতলা বাস সেবা চালু হলো। শনিবার এ সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ।

নগরীর আম্বরখানায় ফিতা কেটে বাস সেবার উদ্বোধন কালে তিনি বলেন, ‘সরকারের উন্ন্য়নের অগ্রযাত্রাকে ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রাখতে এবং মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রত্যেকটি জেলা-উপজেলায় বিআরটিসির যাত্রী সেবা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।’

সিলেট থেকে কোম্পানীগঞ্জ হয়ে ভোলাগঞ্জের দুরত্ব প্রায় ৩৩ কিলোমিটার। এপথ দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের যাতায়ত। আর নতুন করে যোগ হয়েছে ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্টের সাদাপাথরে যাওয়া পর্যটকের সংখ্যাও। তবে শুরু থেকে এ সড়কপথে যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ ছিলো না।

বিশেষ করে নগরীর আম্বরখানা থেকে ভোলাগঞ্জ পর্যন্ত চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকসা চালকদের কাছে কার্যত জিম্মি ছিলেন যাত্রীসাধারণ। একই ভাবে এ সড়কে চলা বাসগুলোও লক্কড়-ঝক্কড় ফিটনেসবিহীন হওয়াতেও এতে আগ্রহ কম যাত্রীদের। ফলে সড়কে বিআরটিসির বাস চালুর দাবি জানিয়েছিলেন তারা।

এর ফলশ্রুতিতে কয়েকমাস আগে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ একটি ডিও লেটার দেন। এরপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক পর্যায়ে দুটি দোতলা বাস নামানো হয়েছে। এর ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দুই ঘন্টা পর পর এ বাস দুটি যাত্রীসেবা প্রদান করবে, পরবর্তীতে যাত্রীদের চাহিদার প্রেক্ষিতে আরও বাস নামানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে বিআরটিসির দুতলা বাস চলাচল করেছিল। ওই সময় নগরী থেকে জৈন্তাপুর পর্যন্ত চারটি বাস যাতায়াত করত। পরে বাস মালিক-শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে এ সড়ক থেকে বিআরটিসির সবকটি বাস তুলে নেয়া হয়।

শেয়ার করুন