রেল দুর্ঘটনা: নিহতদের মধ্যে ৭ জনই হবিগঞ্জের

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ::  ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার কসবায় ঢাকাগামী তুর্ণা নিশীথা ও সিলেটে থেকে ছেড়ে যাওয়া চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে হবিগঞ্জের সাতজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া এ দুর্ঘটনায় শতাধিক আহতের মধ্যে হবিগঞ্জের আরও ১৪ জন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন- হবিগঞ্জ শহরতলীর আনোয়ারপুরের আলী মো. ইউনুছ (৩০), বহুলা গ্রামের আলমগীর আলমের ছেলে ইয়াছিন আলম (১২), চুনারুঘাট উপজেলার উলুকান্দি পশ্চিম তালুকদার বাড়ির ফটিক তালুকদারের ছেলে রুবেল তালুকদার (২২), একই উপজেলার পীরের গাঁওয়ের আব্দুল হাসিমের ছেলে আশিকুর রহমান সুজন (২৪), বানিয়াচং উপজেলার মর্দন মুরত গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে আল আমিন মিয়া (৩৪) ও একই উপজেলার টাম্বলী টুলা গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে আদিবা আক্তার সোহা (২) ও চুনারুবাগ উপজেলার আহমদাবাদ গ্রামের পেয়ারা বেগম (৬৫)।

আরও পড়ুন-স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে আর দেখা হলো না হবিগঞ্জের ইউসুফের

তারা সবাই টিকেট কেটে ১১ নভেম্বর দিবাগত রাতে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন ট্রেনে উঠে গন্তব্যে রওনা দেন। ভোর রাতে তারা কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনার শিকার হন।

শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন সূত্র জানায়, জংশন থেকে শতাধিক যাত্রী গন্তব্যে যাওয়ার জন্য চট্টগ্রামী উদয়নে ট্রেনে উঠেন। পথিমধ্যে কসবায় গিয়ে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নিহত সবার নাম অফিসিয়ালি শনাক্ত করা হয়নি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারকে সহায়তা করা হবে।

আরও পড়ুন- নিহতদের পরিবারকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেয়া হবে : রেলমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদয়ন-তূর্ণার সংঘর্ষে নিহত ১৬

রেল দুর্ঘটনা তদন্তে ৫ কমিটি

তূর্ণা নিশীথার মাস্টার-সহকারী মাস্টার বরখাস্ত

কসবায় হতাহতের ঘটনায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

শেয়ার করুন