‘বাড়ির আঙিনা ও মাটি খুঁড়ে বের করে আনা হলো ২২ শ্যালো মেশিন’

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি : কোনোটি বাড়ির আঙিনায় ঝোপে ঢাকা। আবার কোনোটি মাটিতে পুঁতে রাখা। সবগুলোই পাথর উত্তোলনের নিষিদ্ধ যন্ত্র। পাথর কোয়ারিতে অবৈধভাবে ব্যবহারের পর আইনী ঝামেলা এড়াতে এমন কৌশল অবলম্বন করা হয়।
বৃহস্পতিবার টাস্কফোর্স অভিযান চালিয়ে ২২টি যন্ত্র জব্দ করে। পরে সেখানেই হাতুড়ি দিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন আচার্য এর নেতৃত্বে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য ও পুলিশ প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স এ অভিযান চালায়।
টাস্কফোর্স সূত্র জানায়, বেলা ১২টা থেকে দুইটা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী চরারবাজার গুচ্ছগ্রাম, উৎমা ও মাঝেরগাঁও এলাকায় টাস্কফোর্সের অভিযান চালানো হয়। এ সময় পরিবেশ বিধংসী শ্যালো মেশিন বিভিন্ন বাড়ি ও পাথর কোয়ারির গর্তেই মাটিতে পুঁতে রাখতে দেখা যায়। খুঁজে খুঁজে ২২টি যন্ত্র ও ৫ হাজার ফুট পাইপলাইন জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো ঘটনাস্থলেই হাতুড়ি দিয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন আচার্য বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে জব্দ করা যন্ত্রগুলো পাথর কোয়ারিতে চলা অবৈধ বোমা মেশিনের চেয়ে আকারে ছোট। এ যন্ত্র শ্যালো মেশিন হিসেবে কৃষিজমিতে সেচকাজে ব্যবহৃত হয়। অবৈধ ব্যবহার আড়াল করতে সাংকেতিক নাম ‘বিলাই বোমা’ বলেও ডাকা হয়। উচ্চ আদালতে বোমা মেশিনসহ যন্ত্র দিয়ে পাথর উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চলছিল পাথর উত্তোলন। এ অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার সেখানে অভিযান চালিয়ে ২২টি যন্ত্র ধ্বংস করা হয়। ২২ যন্ত্রের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা হবে বলে ইউএনও জানান।

শেয়ার করুন