কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু: প্রতিবাদে সহপাঠীদের ৪ দাবি

সিলেটের সকাল ডেস্ক ::রাজধানীর মোহাম্মদপুরে রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘কিশোর আলো’র বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নবম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী মারা গেছে। তার নাম নাঈমুল আবরার। শুক্রবার (১ নভেস্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় রেসিডেনসিয়াল মাঠে এই ঘটনা ঘটে।

এদিকে শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পরও বিষয়টি আয়োজক কর্তৃপক্ষ গোপন রাখায় এবং ঘটনার পর তাকে পাশের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে না নিয়ে মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়ালে নেওয়ায় রেসিডেনসিয়ালের শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তবে নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারের কোনও অভিযোগ না থাকায় পুলিশ আবরারের লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করে।

অন্যদিকে, ঘটনার পর কিশোর আলোর সম্পাদক ও লেখক আনিসুল হক নিজের ফেসবুক একাউন্টে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তার দেওয়া বিবৃতিটি হুবহু তুলে দেওয়া হলোঃ

“গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে কিশোর আলোর অনুষ্ঠান দেখতে এসে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল কলেজের ক্লাস নাইনের ছাত্র নাইমুল আবরার বিদ্যুতায়িত হয়। ওখানেই জরুরি মেডিক্যাল ক্যাম্পে তাকে নেয়া হয়। দুজন এফসিপিএস ডাক্তার দেখেন। জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নিতে বলেন। হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে নাঈমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় আন্দোলনে নেমেছে সহপাঠীরা। শনিবার (২ নভেম্বর) তারা চার দফা দাবি জানিয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলোঃ

১. ঘটনা চলার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে হবে।

২. অনুষ্ঠানের মিস ম্যানেজমেন্টের দায় স্বীকার করে কিশোর আলো, ইভেন্ট অর্গানাইজার, আয়শা মেমোরিয়াল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লিখিত বক্তব্য দিতে হবে।

৩. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ছাত্রদের হাতে পৌঁছাতে হবে।

৪. শুধু দুর্ঘটনা নয়, তাদের গাফিলতি, মিসম্যানেজমেন্ট ও উদাসীনতা উল্লেখ করে পত্রিকায় বিবৃতি দিতে হবে।

৭২ ঘণ্টার মধ্যে দাবিগুলো আদায় না হলে পরবর্তীতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শেয়ার করুন