গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ঠেকালো পুলিশ

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি :: গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে একটি বাল্য বিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। এ সময় বর ও কনে পক্ষের অভিভাবকরা মুচলেকা দিয়ে জেল-জরিমানা থেকে রেহাই পেয়েছেন।

বুধবার বিকেলে উপজেলার পাথরটিলা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের মেয়ে ও জাফলং আমির মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী নার্গিস আক্তারের সাথে পার্শ্ববর্তী গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে শাকিল আহমেদের বিয়ের দিন ধার্য্য ছিল।

সে মোতাবেক বর ও কনে পক্ষের অভিভাবরা মিলে যথারীতি বিয়ের আয়োজনও সম্পন্ন করেন। এ খবর জানতে পেরে থানার এসআই সুরঞ্জিত তালুকদার ও এ এসআই রাজীব রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্য বিয়ের আয়োজন বন্ধ করেন।

পরে স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের মাধ্যমে বর ও কনের অভিভাবকদের কনের উপযুক্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিয়ে না দেওয়ার জন্য ওই ছাত্রীর বাবা ইসমাইল হোসেন ও বরের বাবা ইদ্রিছ আলীর কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ইউপি সদস্য আব্দুল কাদিরের জিম্মায় ছেড়ে দেয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক করিম মাহমুদ লিমন, সাংবাদিক মিনহাজ মির্জা, বন্ধন সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের সহ-সভাপতি জালাল হোসেন, মামার বাজার সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক ফয়সল খাঁন প্রমুখ।

এ বিষয়ে থানার ওসি (তদন্ত) হিল্লোল রায় বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাল্য বিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ভাবে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে বাল্য বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছে। একই সাথে বর ও কনের অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের ছেলে মেয়েদের বাল্য বিয়ে দিবেনা মর্মে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন