কোম্পানীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা-ভাংচুরের অভিযোগ

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি :: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষের জের ধরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান কুটি মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান বাদী হয়ে শনিবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা (নং-১৫) করেছেন। মামলায় ৭৩ জনের নামোল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪০-৪৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।

স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে পূর্ব বিরোধের জের ধরে ইছাসকল নিজগাঁও গ্রামের আব্দুস শহিদ গংদের সাথে একই গ্রামের সামছুল ইসলাম গংদের মারামারি হয়। ঘটনার পর ইছাকলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুটি মিয়া বিষয়টি সালিশ-বিচারে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেন। কিন্তু, উভয়পক্ষ তা না মেনে থানায় পৃথক অভিযোগ দাখিল করেন।

এ ঘটনায় চেয়ারম্যানের ভূমিকা নিরপেক্ষ ছিল না বলে অভিযোগ আনে একটি পক্ষ। এ অভিযোগে শনিবার সকাল ৮টার দিকে নিজগাঁও গ্রামের মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় চেয়ারম্যানকে বাড়িতে না পেয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায় তারা।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সুজন মিয়া জানান, চেয়ারম্যান পক্ষপাতিত্ব করেছেন অভিযোগ এনে সন্ত্রাসীরা বাড়ির সামনের ফটকের লাইট, গ্রীল ও দরজা-জানালা ভাংচুর করেছে। ঘটনার সময় চেয়ারম্যান গ্রামের পূর্বপাড়ার ধোপাঘাটে নির্মিতব্য নতুন মসজিদ নির্মাণ কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলে জানান তিনি।

চেয়ারম্যান কুটি মিয়া জানান, দুইপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনাটি মামলা-মোকদ্দমায় না নিয়ে বিচার সালিশে নিষ্পত্তি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, বিষয়টি উভয় পক্ষ মানেনি। এখানে আমি কারও পক্ষাবলম্বন করিনি। কিন্তু, কিছু লোক না বুঝে আমার বাড়ি-ঘরে হামলা চালিয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তাজুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন