ত্রিভুজ প্রেমের বলি গোয়াইনঘাটের নির্মল

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: ত্রিভুজ প্রেমের কারণে সিলেটের গোয়াইনঘাটের মোটরসাইকেল চালক নির্মল বিশ^াসকে গলা কেটে হত্যা করে কার্তিক ও তার সহযোগীরা। এরপর মরদেহ গভীর জঙ্গলে ফেলে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও নিয়ে যায় তারা। তবে ঘটনার ছয়দিনের মাথায় পুলিশ এ খুনের রহস্য উদঘাটন করে সকল আসামীকে গ্রেফতার করেছে।

সিলেট জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার সহকারি পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার মো. আনিছুর রহমান খান জানান, ‘নির্মল হত্যাকা-ের ছয়দিনের মাথায় এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। একই সাথে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া তার প্রেমিকা কনিকাসহ সব আসামীদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

তিনি এও জানান, গত ১৮ জুলাই বিকেলে গোয়াইঘাটের নকশিয়া পুঞ্জির গভীর জঙ্গল থেকে নির্মলের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বাবা অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করলে পুলিশ খুনের রহস্য উদঘাটনে অভিযান শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় নিহত নির্মলের প্রেমিকা একই পুঞ্জির শিশিন্দ্র দাসের মেয়ে কনিকাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে কনিকা প্রাথমিক ভাবে হত্যায় তার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।’

পরে আদালতে ১৬৪ধারায় জবানবন্দীও দেয়। এবং তার দেয়া তথ্যানুসারে পুলিশ উত্তর প্রতাপপুরের মৃত কালি কৃষ্ণ দাসের ছেলে কার্তিক দাস (২৩), মাটিকাপা গ্রামের বাবুল বিশ্বাসের ছেলে লিটন বিশ্বাস (২২), লুনি গ্রামের নগেন্দ্র দেবনাথের ছেলে সুবল দেবনাথকে (৩৪) গ্রেফতার করে। এরমধ্যে কার্তিক দাস হলে কনিকার নতুন প্রেমিক।

আদালতে কনিকা জানায়, ‘নির্মল বিশ^াসের সাথে তার দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে কার্তিকের সাথে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠলে নির্মল তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ান।’

নিহত নির্মল দাস উপজেলার পূর্ব জাফলংয়ের নকশিয়া পুঞ্জির নিখিল বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। হত্যা মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন