অবৈধভাবে দখল করতে দোকান মালিকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ভাড়াটের!

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: ভাড়াটিয়ার দায়ের করা ৯টি মামলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল রোডের এক মার্কেট মালিক পরিবার। চুক্তি বিলুপ্ত হওয়ার পরও বেআইনীভাবে দুটি দোকানের দখল ধরে রাখার চেষ্টা করে আসছেন ওই ভাড়াটিয়া। এই অসৎ উদ্দেশ্যে একের পর এক ‘মিথ্যা মামলা’ দিয়ে চরম হয়রানী করছেন মার্কেট মালিক পরিবারকে।

ভাড়াটিয়াদের অবৈধ দখলদারিত্বেও অপচেষ্টা সহযোগিতা না করায় স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দকেও জড়ানো হচ্ছে মিথ্যা মামলায়। মিথ্যা মামলা দিয়ে সুবিধা করতে না পেরে এখন আইজিপি বরাবরে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করে ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন ভাড়াটিয়া।

সোমবার সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেছেন সিলেট নগরীর উত্তর বালুচর এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুল হামিদ চৌধুরীর পুত্র কামরুল হাসান চৌধুরী রুমেল। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ‘গত ২৩ জুলাই সিলেট প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে ওসমানী মেডিক্যাল রোডস্থ জান্নাত ফার্মেসীর কথিত স্বত্বাধিকারী গোলাম আজম যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তা সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।’

কামরুল হাসান চৌধুরী রুমেল জানান, ‘ভাড়া চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে গোলাম আজম দোকানের দখল ধরে রাখার অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। এই বেআইনী উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যেই সাবেক ভাড়াটিয়া গোলাম আজম একে একে ৯টি মামলা দায়ের করেন কামরুল হাসান চৌধুরী রুমেল ও তার ৩ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। কিন্তু, ইতোমধ্যে ৬টি মামলা মিথ্যা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে এবং মিথ্যা মামলা দায়েরের কারণে গোলাম আজমের বিরুদ্ধে উল্টো ২১১ ধারায় মামলা চলছে।

কামরুল হাসান চৌধুরী রুমেল বলেন, বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। উচ্ছেদ হওয়া ভাড়াটিয়ারা আমাদেরকে প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় আবারো দখল নেবে বলে হুমকী দিচ্ছে। এমতাবস্থায় নিজেদের নিরপত্তা দাবী করে স্থানীয় প্রশাসনসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন কামরুল হাসান চৌধুরী রুমেল।

সংবাদ সম্মেলনে তার ৩ ভাই কামরুল হুসেইন চৌধুরী মিনহাজ, কামরুল মোমিন চৌধুরী মিনার ও কামরুল নকীব চৌধুরী মাফরুজ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন