শ্রীনিত্যানন্দের পাদুকা দেখতে ইসকন মন্দিরে ভক্তদের ভিড়

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: সকাল থেকেই নগরীর কাজলশাহ ইসকন মন্দিরে উপস্থিত শত শত ভক্ত। সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন ভক্তরা। তাদের একটাই উদ্দেশ্য ভারতের মায়াপুর থেকে বাংলাদেশে এসেছে শ্রীনিত্যানন্দ’র পাদুকা। সকাল ১০টার দিকে কলকাতার ইসকন মায়াপুর ধামের প্রধান পুজারি শ্রীপাদ জননিবাস দাস ব্রহ্মচারী ও শ্রীপাদ ব্রজবিলাস দাস পাদুকা যুগল সিলেটে নিয়ে আসেন। যখন পাদুকা নিয়ে ইসকন ভক্তদের একটি বহর মন্দিরে আসে তখন অনেকেই কেঁদে ফেলেন। এটি দেখার জন্য তারা উদগ্রীব হয়ে উঠেন।

সাড়ে ১০টার দিকে মহাঅভিষেকের মধ্য দিয়ে পাদুকা বরণ করে নেওয়া হয়। এর আগে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। ইসকন বাংলাদেশের অন্যতম সন্ন্যাসী ও ইসকন সিলেটের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তি অদ্বৈত নবদ্বীপ স্বামী মহারাজের সভাপতিত্বে ও ইসকন ইয়ূথ ফোরামের কো-অর্ডিনেটর দেবর্ষি শ্রীবাস দাস ব্রহ্মচারীর পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসকন জিবিসি ও দীক্ষাগুরু শ্রীমৎ ভক্তি চারু স্বামী মহারাজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসকনের অন্যতম জিবিসি শ্রীমৎ ভক্তি পুরুষোত্তম স্বামী মহারাজ, শ্রীমৎ ভক্তি বিনয় স্বামী মহারাজ, ইসকন মায়াপুর ধামের প্রধান পুজারি শ্রীপাদ জননিবাস দাস ব্রহ্মচারী ও শ্রীপাদ ব্রজবিলাস দাস।

আলোচনা সভায় উঠে আসে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুসর্ম্পকের কথা। বাংলাদেশের প্রতি ভালবাসা তাগিদেই পাদুকা সিলেট আনা হয়েছে বলে জানানো হয়। সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশের ভক্তদের কথা চিন্তা করে এই প্রথম দেশের বাইরে শ্রীনিত্যানন্দ’র কাঠের পাদুকা নিয়ে আসা হল।

অভিষেক অনুষ্ঠানের পর পরই ভক্তদের দেখার জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয় পাদুকা। ভক্তরা সারিবদ্ধভাবে পাদুকা দেখে মন্দির থেকে বের হন।

৫০০ বছরের পুরনো শ্রীনিত্যানন্দ পাদুকা যুগল এর আগে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় গেলেও, এবারই প্রথম বিদেশে পাড়ি দিল। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ মায়াপুর ধামে ইসকনের তত্ত্বাবধানে রয়েছে শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর পাদুকা যুগল।

শেয়ার করুন