জামাল হত্যায় দুই আসামীর স্বীকারোক্তি ।। বিরোধের সূত্রপাত ২৮ মে, খুন ৩০ মে

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: ব্যাঙ্গাত্মক কথাবার্তা নিয়ে বিরোধের জেরে পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে ছুরিকাঘাতের পর রামদা দিয়ে আঘাত করে আব্দুল হাফিজ জামালকে (২০) হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকান্ডটি ৩০ মে ঘটলেও এ বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল ২৮ মে।

রোববার সিলেটে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে এসব জানিয়েছে হত্যা অভিযুক্ত জব্বার আলী জনি ও জুনেদ। তারা দুজন গত ১১ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রিপটন পুরকায়স্থ আদালতের কাছে তাদের ৩ দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করলে আদালত রিমান্ডের অনুমতি দেন। পরে শাহপরাণ থানায় তিনদিনের রিমা-ে তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ড শেষে তারা আদালতে জবানবন্দিতে খুনের কথা স্বীকার করে।

আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে শাহপরাণ (রহ.) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কাইয়ুম জানান, ‘৩০ মে ইফতারের আগে বিআইডিসি খন্দকার মার্কেটের ভিতরে জামালকে ছুরিকাঘাত করে জনি। এসময় জুনেদ রামদা দিয়েও কোপায়। তখন ঘটনাস্থলে থাকা নিহত জামালের অপর বন্ধু রবিউল ইসলাম নবেল ও কাউছারের চিৎকারে আশ-পাশ হতে লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। পরে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে পৌনে ৭টার দিকে জামালকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।’

উক্ত ঘটনায় নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা দায়ের করেন। নিহত জামাল বিআইডিসি বহর আবাসিক এলাকার তারা মিয়ার ছেলে। আর আসামী জব্বার আলী জনি (২১) একই এলাকার আমীর আলীর এবং জুনেদ (২২) একই এলাকার কালা মিয়ার ছেলে।

শাহপরাণে তুচ্ছ ঘটনায় যুবক খুন

শেয়ার করুন