প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: প্রথম ধাপে সিলেটের ১৯ উপজেলার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপে সিলেট বিভাগের চার জেলার ১৯ উপজেলার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত ১ ঘন্টার লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়।

প্রথম ধাপে সিলেটের সদর, কানাইঘাট, বালাগঞ্জ, বিশ^নাথ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও জৈন্তাপুর উপজেলা, সুনামগঞ্জ জেলার সুনামগঞ্জ সদর, দোয়ারাবাজার, বিশ^ম্ভরপুর, ছাতক ও শাল্লা উপজেলা, মৌলভীবাজার জেলার- রাজনগর, কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল ও জুড়ী উপজেলা এবং হবিগঞ্জ জেলার- হবিগঞ্জ সদর, নবীগঞ্জ, লাখাই, ও বাহুবল উপজেলার পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষা উপলক্ষে সবকটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান ছিল। একই সাথে পরীক্ষার্থীদের মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশীর পর কেন্দ্রে প্রবেশ করানো হয়। ফলে কোন ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনা ছাড়াই সিলেট বিভাগের এসব উপজেলার নিয়োগ পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মে শুক্রবার সিলেট জেলার- গোয়াইনঘাট, গোলাপগঞ্জ, কোম্পানীগঞ্জ, জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা। সুনামগঞ্জ জেলার- তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, দিরাই, জগন্নাথপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ। মৌলভীবাজার জেলার- সদর, বড়লেখা ও কুলাউড়া উপজেলা। হবিগঞ্জ জেলার- বানিয়াচং, আজমীরীগঞ্জ, মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এর আগে গত ১৭ মে থেকে এই পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও ওই দিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা থাকায় এই নিয়োগ পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে গত বছরের ১ থেকে ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করেন চাকুরিপ্রার্থীরা।

প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে গত কয়েক বছর ধরে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন পরীক্ষার দিন সকালে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছাপিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য মনোনীত করা হবে। দেশের ৬৩ হাজার ৬০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৩ লাখ ২২ হাজার ৭৬৬ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

শেয়ার করুন