দুধের ৯৬টি নমুনার সবগুলোতেই মিলেছে সীসা-অ্যান্টিবায়োটিক

কোন কোন কোম্পানির দুধ ও দইয়ে ভেজাল বা রাসায়নিক দ্রব্য পাওয়া গেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের নাম-ঠিকানা আগামী ১৫ মের মধ্যে দাখিল করতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

এর আগে এ সংক্রান্ত আদালতে দাখিল করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজার থেকে সংগৃহীত ৯৬টি কাঁচা তরল দুধের নমুনার মধ্যে সব গুলোতেই সীসা ও এন্টিবায়োটিক অনুজীব পাওয়া গেছে।

আজ বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্যাকেটজাত দুধের ৩১টি নমুনার মধ্যে ১৮টিতেই ভেজাল পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুধে ও দইয়ে উচ্চমাত্রার বিভিন্ন রাসায়নিক পাওয়া গেছে।

তবে কোন কোন কোম্পানি দুধে ভেজাল বা রাসায়নিক দ্রব্য মেশানোর সঙ্গে জড়িত প্রতিবেদনে তাদের নাম ঠিকানা না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সারাদেশে গরুর দুধ, দই এবং গো-খাদ্যে কি পরিমাণ ব্যাক্টেরিয়া, কীটনাশক, সীসা রয়েছে তা নিরূপনের জন্য একটি জরিপ পরিচালনার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

১৫ দিনের মধ্যে খাদ্য সচিব, মৎস্য ও প্রাণী সচিব, কৃষি সচিব, মন্ত্রী পরিষদ সচিব, নিরাপত্তার খাদ্য কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যানসহ সব সদস্য, কেন্দ্রীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটি এবং বিএসটিআই চেয়ারম্যানকে জরিপের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়।

শেয়ার করুন