দাওয়াত থেকে ৪০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার: এক এগারোর সেই দিন স্মরণ করলো সিলেট আ’লীগ

সিলেটের সকাল রিপোর্ট:: ২০০৭ সালে আলোচিত ওয়ান ইলেভেনের সময় দাওয়াত খেতে গিয়ে গ্রেফতার হওয়া আওয়ামী লীগের ৪০ নেতাকর্মী স্মরণ করলেন সেই দিনটিকে। সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরীর বটেশ্বরস্থ বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

১৪ মে এই নেতাকর্মীদের কারান্তরীণের যুগপূর্তিতে ইফতার মাহফিল ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভাসহ প্রেসব্রিফিংয়ের আয়োজন করে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ।

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, ‘এটি একটি নির্মম ও নিষ্ঠুর ঘটনা। দাওয়াত খেতে যাওয়া লোকদের ধরে ধরে জেলে নিয়ে গেল। কোনো বিচার নেই-মামলা নেই। অথচ ৬ মাস আমাদেরকে কারাগারে আটকে রাখা হলো। কত হুমকি দেয়া হলো। শুধুমাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী বলে আমাদের এই পরিস্থিতি সাফার করতে হয়।’

পরে বিকেলে নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে স্মৃতিচারণ ও ইফতার মাহফিলে বক্তব্য রাখেন নেতৃবৃন্দ। স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘ওইদিন আমার বাসায় একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান ছিল। দেশ-বিদেশের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আমি দাওয়াত করি। কিন্তু তথাকথিত ১/১১ এর সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে অনুষ্ঠান থেকে আটক করে আমাদেরকে জেলে পাঠানো হয়।’

‘দুই মেয়াদে ডিটেনশন ছাড়াও আমাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা এমনকি রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলাও দায়ের করা হয়। কিন্তু আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবিচল ছিলাম। শত নির্যাতন-নিপীড়নের পরও আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে ছিলাম।’

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক জগলু চৌধুরীর সঞ্চালনায় স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, এড. নিজাম উদ্দিন, বিজিত চৌধুরী, এড. নাসির উদ্দিন খান, সয়ফুল আলম রুহেল, ফারুক আহমদ, হাজি রইছ আলী, সৈয়দ শামীম আহমদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন