তিউনিশিয়া ফেরত ১৩ যুবকই সিলেটের

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি

সিলেটের সকাল রিপোর্টঃ তিউনিশিয়া থেকে দেশে ফেরা ১৫ যুবকের মধ্যে ১৩ জনই বৃহত্তর সিলেটের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলবর্তী ভূমধ্যসাগরে অভিবাসন প্রত্যাশীদের নিয়ে নৌকাডুবির পর জীবিত উদ্ধার হওয়া সিলেটের রুবেল আহমদসহ ওই ১৫ জন মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে দেশে ফেরেন। টার্কিশ এয়ারলাইন্সের টি কে ৭১৭ ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান এই ১৫ তরুণ। ঢাকা এয়ারপোর্টের ডিউটি সিকিউরিটি অফিসার আইনুল হক মোল্লা এ তথ্য জানান।
গত ১০ই মে বিভিন্ন দেশ হয়ে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরের তিউনিসিয়া উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকাটি ডুবে যায়। এতে নিহত হন অন্তত ৬০ জন। নিহতদের বেশিরভাগই বাংলাদেশের নাগরিক। তখন ১৫ বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণে বেঁচে যান। রেডক্রিসেন্টের সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের তৎপরতায় মঙ্গলবার সকালে দেশে ফেরেন এই ১৫ তরুণ। এর আগে উদ্ধারের পরপরই তাদের আশ্রয় হয় তিউনিসিয়ার উপকূলীয় শহর জার্জিসে।
দেশে ফেরত ১৫ তরুণের মধ্যে রয়েছেন সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাও ইউনিয়নের ঘোপাল গ্রামের চমক আলীর ছেলে রুবেল আহমদ। মঙ্গলবার রুবেল আহমদের ছোট ভাই রাসেল আহমদ জানান, দিনে বিভিন্ন সময় পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেছেন রুবেল। তারা সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই অবস্থান করছেন। রাসেল আহমদ বড় ভাই রুবেল আহমদের বরাত দিয়ে জানান, আজ বুধবার তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ৯ মে সন্ধ্যায় লিবিয়া থেকে নৌকা পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের লক্ষ্যে অভিবাসন প্রত্যাশীদের নিয়ে একটি বড় নৌকা যাত্রা করে। বড় নৌকা থেকে ছোট নৌকায় স্থানান্তরের সময় নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাডুবিতে নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সিলেটের ২২ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। আর উদ্ধার হওয়া ১৫ জন মঙ্গলবার দেশে ফেরেন।

শেয়ার করুন