কিশোরগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে শিশুসহ ৪ জন নিহত

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: কিশোরগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে শিশুসহ ৪ জন নিহত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর দেড়টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে জেলার মিঠামইন, ইটনা ও পাকুন্দিয়ায় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

মিঠামইনে কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কুড়ারকান্দি গ্রামে হাওর থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন মিয়া নামে সাত বছরের এক শিশু মারা যায়। এ সময় শিশুটিকে আনতে যাওয়া ষাঁড়বাছুরটিও বজ্রপাতে মারা যায়।

এছাড়া উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রাম সংলগ্ন হাওরে বোরো ধান কাটার কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে মহিউদ্দিন (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

মিঠামইন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান লায়ন মো. মতিউর রহমান জানান, সুমন মিয়া উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কুড়ারকান্দি গ্রামের এবাদ মিয়ার ছেলে এবং মহিউদ্দিন উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের মো. গোলাপ মিয়ার ছেলে।

এদিকে ইটনায় কৃষি কাজ শেষে হাওর থেকে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে রুবেল দাস (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাঠুইর গ্রাম সংলগ্ন হাওরে বজ্রপাতে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। রুবেল দাস উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাঠুইর গ্রামের রাকেশ দাসের ছেলে।

ইটনা থানার ওসি মোহাম্মদ মুর্শেদ জামান জানান, বৃষ্টির সময় কৃষি কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে রুবেল দাস মারা যান।

অন্যদিকে পাকুন্দিয়া উপজেলায় গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আসাদ মিয়া (৪৫) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামে বজ্রপাতে এই প্রাণহানির ঘটনাটি ঘটে।

আসাদ মিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামের মৃত আয়েছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য এরশাদ উদ্দিনের চাচা।

পাকুন্দিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুপুরে বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। এ সময় কৃষক আসাদ মিয়া গরুর জন্য ঘাস কাটতে গেলে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

-রাইজিংবিডি

শেয়ার করুন