ইসলামপুরে তামাবিল সড়কের পাশে আর থাকবে না আবর্জনার জঞ্জাল…

ফাইল ছবি।

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: সিলেট শহর থেকে একটু দূরের ইসলামপুর বাজার এলাকা। এ এলাকায় নেই স্থায়ী আবর্জনা ফেলার স্থান। যে কারণে বাসা-বাড়িসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সব ময়লা আবর্জনা সিলেট-তামাবিল সড়কের পাশেই ফেলা হচ্ছে। শুধু ইসলামপুর বাজারই নয়;একই অবস্থা শ্যামলী, চামেলীবাগ, পূরবী, সৈয়দপুরসহ আশ-পাশের সবকটি এলাকারও। ময়লা আবর্জনা ফেলার নির্ধারিত স্থান না থাকায় অনেকেই নিজস্ব উদ্যোগে যত্রতত্র সড়কের পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলে দিতে বাধ্য হন।

আর দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে ফেলে রাখা ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থেকে ছড়ায় উৎকট দুর্গন্ধ। এ এলাকা অতিক্রমকালে দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পেতে গাড়ির দরজা-জানালা বন্ধ করা ছাড়া উপায় থাকে না। আর পথচারীরা নাকে-মুখে রুমাল চেপে অতিকষ্টে জায়গাটি পেরোতে বাধ্য হন। একই ভাবে সিলেট সরকারি কলেজের ছাত্রাবাসের সামনেও ফেলে রাখা হয় ময়লা-আবর্জনা, ফলে কলেজ ক্যাম্পাস পর্যন্ত দুর্গন্ধ ছড়ায় ।

এ এলাকাটি সিলেট সদর উপজেলার খাদিমপাড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত। ইউনিয়ন এলাকা হওয়ার কারণে ময়লা-আবর্জনা অপরসারণের কোন ব্যবস্থা নেই। তাই স্থানীয়রা সড়কের পাশেই ময়লা ফেলে রাখেন। তবে এখন থেকে আর সড়কের পাশে ময়লা থাকবে না বলে জানিয়েছেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আফছর উদ্দিন।

তিনি জানান, ‘সিলেট সরকারি কলেজ গেইট সম্মুখ হতে শ্যামলী যাত্রী ছাউনি মেজরটিলা বাজারস্থ ওয়ান ব্যাংক এর পাশে ও খাদিমপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার পাশে যত্রতত্রভাবে ফেলা ময়লা আবর্জনা অপসারণের জন্য সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন তিনি। এ চুক্তি অনুসারে সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব গাড়ি ও শ্রমিক এর মাধ্যমে নিয়মিত ময়লা আবর্জনা অপসারণ করা হবে।’

তিনি জানান, বুধবার দুপুরে এ বিষয়ে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে তিনি চুক্তি করেন। তিনি পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন মডেল ইউনিয়ন গড়তে যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলতে ইউনিয়নবাসীর প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন