প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধের নির্দেশ

বিশেষজ্ঞ বা রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ বিক্রি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালককে (ডিজির) সার্কুলার জারি করতে বলা হয়েছে। সার্কুলারের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেশের সব জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সিভিল সার্জনকে দুই দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জনপ্রশাসন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জনস্বার্থে করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ এ নির্দেশনা দেন।  ২২ এপ্রিল ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফে ‘সুপারবাগস লিংকড টু এইট আউট অব টেন ডেথস ইন বাংলাদেশ আইসিইউস’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বুধবার এ রিট করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়েদুল হক সুমন। রিটে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ দেশের সব জেলা প্রশাসককে বিবাদী করা হয়েছে। শুনানিতে রিটের পক্ষে ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়েদুল হক সুমন নিজেই বক্তব্য উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।
দ্য টেলিগ্রাফে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, চাহিদা ছাড়াও ফার্মেসিগুলো রোগীদের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দিচ্ছে। এভাবে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করায় এক পর্যায়ে এসব রোগীর শরীরে আর অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। সম্প্রতি অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে ৪০০ জন মারা গেছেন। প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু অনেকেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই ফার্মেসি থেকে অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে সেবন করছেন।

শেয়ার করুন