দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলুন

জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যার শতবর্ষ পূর্তির আলোচনা সভায় বক্তারা

১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল অভিভক্ত ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের অমৃতসর শহরে জালিয়ানাওয়ালাবাগ নামক স্থানে সমবেত নিরস্ত্র জনগণকে ইংরেজ সেনা (কসাই) কর্ণের রেজিনাল্ড ডায়ার এর নেতৃত্বে দুটি সাঁজোয়া গাড়ি ও ১শ’ ইংরেজ সৈন্য ব্যবহার করে হত্যা করে ২ হাজার ভারতীয় জনগণকে। শুধু গুলি করে নয়, জালিয়ানওয়ালাগের কুয়োতে আত্মরক্ষার্থে আশ্রয় নেওয়া জনগণকে পাথর ফেলে জীবন্ত সমাধি দেয় সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। এই হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘নাইট’ উপাধি প্রত্যাখ্যান করেন।
১৯৪৭ সালে বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদ ভারত ত্যাগ করে। পাকিস্তান পরিণত হয় একটি নয়া উপনিবেশে। স্বাধীনতার নামে চলতে থাকে নির্যাতন। আমরা নয়া উপনিবেশ পাকিস্তানের অংশ পূর্ব বাংলার জনগণ শিকার হই পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর জাতিগত নিপীড়নের। ১৯৭১ সালে আমরা বাঙালি জনগোষ্ঠী পাকিস্তান রাষ্ট্র থেকে স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী শোষণের অবসান ঘটেনি। আজও ভেনিজুয়েলা সহ বিশ্বের দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন চলছে নতুন আঙ্গিকে। তাই আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলি।
১৩ এপ্রিল শনিবার বিকেল ৫টায় কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর কক্ষে জালিয়ান ওয়ালাবাগের গণহত্যার শতবর্ষ পালন কমিটি সিলেটের আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জালিয়ান ওয়ালাবাগের গণহত্যায় শহীদদের স্মরণে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়।
জালিয়ান ওয়ালাবাগের গণহত্যার শতবর্ষ পালন কমিটি সিলেটের আহ্বায়ক এডভোকেট ই. ইউ. শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও এডভোকেট রনেন সরকার রনির পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, সাম্যবাদী দলের সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক কমরেড ধীরেন সিংহ, গণতন্ত্রী পার্টির সিলেট জেলা সভাপতি মো. আরিফ মিয়া, ওয়ার্কার্স পার্টি সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক কমরেড সিকান্দর আলী, বাসদ (মার্কসবাদী) সিলেট জেলার আহ্বায়ক কমরেড উজ্জল রায়, সাংবাদিক আখলিছ আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, কমরেড স্নেহাংশু ভট্টাচার্য্য। বিজ্ঞপ্তি

শেয়ার করুন