চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব সংসদে নাকচ

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য সংসদে আনীত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি কণ্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে গেছে। ‘সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীত করা হোক’Ñ প্রস্তাবটি আনেন বগুড়া-৭ থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাবলু। প্রস্তাবটি সমর্থন করে সরকারি ও বিরোধী দলের ১০ জন সদস্য সংশোধনী প্রস্তাবও দেন। কিন্তু জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের সংবিধান ও চাকরির বিধিমালায় আছে চাকরিতে ন্যূনতম ২৫ বছর

চাকরি না করলে পূর্ণ পেনশন পাবেন না। সুতরাং, কেউ যদি ৩৭ বছরে চাকরিতে যোগ দেন। ২৫ বছর পূর্ণ করতে হলে তাকে ৬২ অথবা ৬৩ বছর বয়সে অবসরে যেতে হবে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের অবসরে যাওয়ার সময় ৫৯ বছর। সুতরাং, তাকে আরো তিন থেকে চার বছর চাকরি করতে হবে। কিন্তু আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ নেই। সে কারণে আপাতত চাকরিতে বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। তবে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে নিতে অস্বীকার করলে তা ভোটে দেওয়া হয় এবং তা নাকচ হয়ে যায়।
ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে গতকাল সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের বৈঠকে নাকচ হয়। এর আগে নিজ নিজ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন দিয়ে আনা সংশোধনীর ওপর বক্তব্য দেন, রুস্তম আলী ফরাজী (পিরোজপুর-৩), শহিদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), ছলিম উদ্দিন তরফদার (নওগাঁ-৩, ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬) মহিলা এমপি রওশনারা মান্নান, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১), মহিলা এমপি মোসাম্মৎ খালেদা খানম, মোহাম্মদ এবাদুল করিম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫), মোহাম্মদ শহিদুজ্জামান (মেহেরপুর-২) ও মোজাফফর হোসেন (জামালপুর-৫)।
জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, বাংলাদেশের রাজনীতির পরিস্থিতি এখন ভালো। এখন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় নিয়মিত পড়ালেখা হচ্ছে। সেশন জট হচ্ছে না। এজন্য একজন শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন শেষার পর ৬ থেকে ৭ বছর পান। এ সময় তারা বহু চাকরির পরীক্ষার অংশ নিতে পারেন।

শেয়ার করুন