‘সৃষ্টির মধ্যে বেঁচে থাকবেন আল মাহমুদ’

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: আল মাহমুদ ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। তিনি সাহিত্যের যে শাখাতেই হাত দিয়েছেন, সেখানেই ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছেন। তিনি গ্রামবাংলার সোঁদা মাটির ভালোবাসা দিয়ে তার সৃষ্টির নগরে গড়েছেন শাশ্বত অট্টালিকা। যতদিন বাংলা বর্ণমালা থাকবে, ততদিন আল মাহমুদ তার সৃষ্টির মধ্যে বেঁচে থাকবেন। মঙ্গলবার এক নাগরিক শোকসভায় বক্তারা বাংলা ভাষার অন্যতম সেরা কবি আল মাহমুদ স্মরণে এসব কথা বলেন।

আল মাহমুদ পরিষদ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে এ শোকসভার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘লোক লোকান্তর’, ‘কালের কলস’ ও ‘সোনালী কাবিন’ শুধু এ তিনটি কাব্যগ্রন্থ দিয়ে আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। সাহিত্যের যে পাতায় তিনি হাত দিয়েছেন, সেখানেই সফল হয়েছেন।

বিএনপি নেতা ড. মঈন খান বলেন, সময়ের সঙ্গে মানুষের ধ্যান-ধারণার পরিবর্তন হয়। আল মাহমুদও এমন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। তার বিশ্বাসের পরিবর্তন হয়; কিন্তু কবিতা কখনও তাকে ছেড়ে যায়নি। মানুষ, দেশ, প্রকৃতি সব সময় তার সঙ্গে ছিল।

মাহমুদ শাহ কোরেশীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন কবি আসাদ চৌধুরী, মোস্তফা জামান আব্বাসী, সাবেক বিচারপতি আবদুর রউফ, কবি আবদুল হাই শিকদার, কবি আল মুজাহিদী, আতাহার খান প্রমুখ।

শোকসভায় বক্তৃতায় মাঝেমধ্যে মতিন বৈরাগী, বকুল আশরাফ, শামীমা চৌধুরী প্রমুখ স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করে আল মাহমুদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শেয়ার করুন