ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে সিলেটের ১২ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন চলছে গণনা। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে একটানা ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। তবে প্রথম ধাাপের মতো দ্বিতীয় ধাপেও ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম।

স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচনে যেমন ভোট নিয়ে উৎসাহ-উদ্দিপনা দেখা যায়, এবারের উপজেলা নির্বাচনে তা অনুপস্থিত। হাতেগোণা কয়েকটি উপজেলা ছাড়া বেশিরভাগ ভোট কেন্দ্র ছিল ফাঁকা। ভোটার না আসায় পোলিং এজেন্টরা অলস সময় কাটিয়েছেন। সারা দেশের কোনো কোনো কেন্দ্রে ৪-৫ শতাংশ ভোট প্রদানের খবর পাওয়া গেছে।

এ নির্বাচনে উত্তাপ না থাকলেও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে সিলেট মহানগর পুলিশের ২টি ও জেলা পুলিশের অধীনে ১০টি উপজেলায় র‌্যাব-বিজিবি ছাড়াও পুলিশ ও আনসারের প্রায় ১৪ সহস্র ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলা ছাড়া বাকি ১২ উপজেলায় আজ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপজেলাগুলো হচ্ছে- সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ ও বিশ্বনাথ।

১২ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে ৭৬ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে সাতটিতে ক্ষমতাসীন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন ১৬ জন।

পাঁচটিতে রয়েছেন নৌকার একক প্রার্থী ছাড়াও জাতীয় পার্টির চারজন, বিএনপি ঘরানার স্বতন্ত্র প্রার্থী ছয়জন এবং ইসলামী ঐক্যজোটসহ (ওআইজে) ও অন্য স্বতন্ত্র ১৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জেলার ১২ উপজেলায় চার পৌরসভা ও ৯৭টি ইউনিয়ন মিলে মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ১০ লাখ আট হাজার ৯০ জন এবং মহিলা আট লাখ ৮৫ হাজার ৭১০ জন।

এসব উপজেলায় ৮১৬টি কেন্দ্রের চার হাজার ৪১৪ টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণের দায়িত্বে থাকবেন ১৪ হাজার ৫৮ জন কর্মকর্তা। এরমধ্যে প্রিজাইডিং অফিসার ৮১৬, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার চার হাজার ৪১৪ এবং আট হাজার ৮২৮ জন পুলিং অফিসার।

শেয়ার করুন