‘গণভবনে চা-নাস্তা খাইয়ে নির্বাচনের বৈধতা পাওয়া যাবে না‘

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: গণভবনে চা-নাস্তা খাইয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বৈধতা অর্জন করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যেসব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো সেই দল ও জোটের নেতাদের সম্মানেই শনিবার এ চা-চক্রের আয়োজন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেখানে রাজনৈতিক নেতাদের মিলনমেলা বসেছিল।

রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বিজয়নগরে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর মজলিসে শুরার বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আহমদ আবদুল কাদের এ মন্তব্য করে বলেন, ‘বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনোভাবেই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়।’

খেলাফত মজলিসের মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে সংকট চলছে তার মূলে রয়েছে দেশে দীর্ঘদিন ধরেৎ জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকারের অনুপস্থিতি। ৩০ ডিসেম্বর ভোট ডাকাতি আর জালিয়াতির নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকার কোনোভাবেই জনগণের সরকার হতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘দেশে দুর্নীতি দিন দিন বেড়েই চলছে। নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে পারিবারিক বন্ধনের ওপর চরম আঘাত এসেছে। মানুষের জান-মাল, ইজ্জতের নিরাপত্তা ভূলুণ্ঠিত। আজকে দেশে গুম, হত্যা, নির্যাতন, ঘুষ, দুর্নীতি ও নৈতিক অবক্ষয়ের যে সয়লাব চলছে যা থেকে জাতিকে মুক্ত করতে ইসলামী আদর্শ অনুসরণের কোনও বিকল্প নেই। তাই গোটা মানবজাতির কল্যাণের জন্যে ইসলামের সুমহান আদর্শ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।’

সভায় ২০১৯-২০ সেশনের জন্যে শূরা সদস্যদের গোপন ভোটে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুননির্বাচিত হন যথাক্রমে শেখ গোলাম আসগর ও মাওলানা আজীজুল হক। অধিবেশনে ২০১৯-২০ সেশনের জন্যে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর জন্যে ৪৫ সদস্যের নির্বাহী পরিষদ করা হয়।

নির্বাহী পরিষদের সভাপতি শেখ গোলাম আসগর ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আজীজুল হক ছাড়া বাকিরা হলেন সহ-সভাপতি- মাওলানা আবদুল মান্নান, ডা. মো. রিফাত হোসেন মালিক, মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা নুরুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন আহমদ খন্দকার, তাওহিদুল ইসলাম তুহিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হোসেন, প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, মাওলানা সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুন্সি মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি সাইফুল হক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ, সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম হুমায়ুন কবির আজাদ, মুফতি আজিজুল হক, বায়তুলমাল সম্পাদক মল্লিক মুহাম্মদ কিতাব আলী, এম এ সালাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কাজী আরিফুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক কবি শামসুল করিম খোকন, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শায়খুল ইসলাম, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শোয়াইব আহমদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ফারুক আহমাদ ভূঁইয়া, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা শরীফ আহমদ উল্লাহ, প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ সেলিম হোসাইন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আবুল কালাম আজাদ, ব্যবসায় ও শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কামাল হোসেন, পেশাজীবী সম্পাদক ড. এম এম রহমান, অফিস ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মুহাম্মদ সানাউল্লাহ, সদস্য মুহাম্মদ হোসনে খান, মুহাম্মদ আবদুর রহমান, মাওলানা আবদুল হান্নান, আমীর আলী হাওলাদার, মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, মুফতি আনিস আনসারী, আনিসুর রহমান শিপলু, মাওলানা মুহাম্মদ সালমান, মাওলানা সরদার নেয়ামত উল্লাহ, মাওলানা আবুল হোসাইন, মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, অধ্যাপক মুহাম্মদ মাসুদ হোসাইন এবং মাওলানা ইউসুফ আবদুল্লাহ।

এছাড়া ঢাকা মহানগরী খেলাফত মজলিসের ২৯ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়।

শেয়ার করুন