চালু হল থ্রিজি–ফোরজি

সিলেটের সকাল ডেস্ক:: নির্বাচনের কারণে সারাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের থ্রিজি-ফোরজি সেবা বন্ধ থাকার পর তা পুনরায় চালু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ২১ মিনিট থেকে থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারেনট চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন খান।

বর্তমানে মোবাইল ফোনে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা পাওয়া যাচ্ছে। এ সেবা বন্ধ থাকায় মোবাইল থেকে ইন্টারনেটে ঢোকা যায়নি।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২৭ ঘণ্টা বন্ধ রেখে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা চালু করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবারও তা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। সর্বশেষ ৩০ ডিসেম্বর রাত ১০টার পর থেকে থ্রিজি ও ফোরজি বন্ধ করে দেওয়া হয়। মোবাইলে থ্রিজি ও ফোরজি বন্ধ থাকলেও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু ছিল।

রোববার (৩০ ডিসেম্বর) ভোট শেষ হওয়ার দুই ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় বিটিআরসির নির্দেশনা পেয়ে মোবাইল ফোন অপারেটররা সব ধরনের মোবাইল ইন্টারনেট চালু করে। এরপর রাত ৯টার পর আবার ফোর জি ও থ্রি জি ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ভোটের আগের দিন শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে নির্দেশনা পাঠিয়ে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করেছিল বিটিআরসি। ওইদিন দুপুর থেকে ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা বন্ধ করে টু-জি সেবা চালু রাখার নির্দেশনা দিয়েছিল বিটিআরসি। কিন্তু রাত ১১টার পর থেকে ভোটের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত টু-জি সেবাও বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয় বিটিআরসির পক্ষ থেকে। ফলে ভোটের আগের দিন মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত মোবাইলে ইন্টারনেট সেবা পায়নি গ্রাহকেরা।

এরপর রোববার সন্ধ্যা ৬টায় আবার ইন্টারনেট সেবা চালু হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রায় ১০ ঘণ্টা মোবাইলে ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা বন্ধ রেখেছিল বিটিআরসি। শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত কিছু সময় ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা পেয়েছিলেন গ্রাহকেরা।

প্রসঙ্গত, মোবাইলে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকলেও ব্রডব্যান্ডে ইন্টারনেটে স্বাভাবিক সেবা পেয়েছেন গ্রাহকেরা। আসন্ন সংসদ নির্বাচনের ভোটের আগে ‘অপপ্রচার’ ঠেকাতে ১৩ ডিসেম্বর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ইন্টারনেটের গতি কমানোর প্রস্তাব দেয় পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ওই বৈঠকে সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক সমন্বয়সভায় এই পরামর্শ দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন