দ্বিতীয় দিনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন ৭৮ জন, বাতিল ৬৫ জনের

সিলেটের সকাল ডেস্ক:: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়াদের আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৭৮ জন। আর আপিলেও ভাগ্য ফেরেনি ৬৫ জনের। সাতজনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে ১৫০ জনের আপিল শুনানি করে এমন রায় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুনানিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে অংশ নেন অন্য নির্বাচন কমিশনাররাও।

দ্বিতীয় দিন আপিলে যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে তারা হলেন— মো. জিয়া উদ্দিন ও আবদুল খালেক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬); মুসলিম উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪); হাসান মাহমুদ চৌধুরী (চট্টগ্রাম- ৮); আবু আহমেদ হাসনাত (চট্টগ্রাম-৭); মো. গিয়াস উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২); আবদুল খালেক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬); শাহজাহান মজুমদার (কুমিল্লা-১০); মো. আলতাফ হোসাইন (কুমিল্লা-১); খোরশেদ আলম খুশু (চাঁদপুর-৫); মো. সাইফুল্লাহ (হুমায়ুন মিয়া) (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২); এ কে ফাইয়াজুল হক ও মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা (বরিশাল-২), মো. আবদুর রশিদ (পটুয়াখালী-১); মো. বাদশা মিয়া (বরিশাল-১); মো. মতিউর রহমান তালুকদার (বরগুনা-১); গোলাম নবী আলমগীর (ভোলা-১); মো. শহীদুল আলম তালুকদার (পটুয়াখালী-২); সৈয়দ রুবিনা আক্তার (বরিশাল-২); আলহাজ এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন (ঢাকা-১৬); মো. সুলতান আহম্মদ খান (ঢাকা-৩); মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (রুবেল) (কিশোরগঞ্জ-২); মোহাম্মদ. মুসা খান (কিশোরগঞ্জ-৬); মো. আ. লতিফ মিয়া (টাঙ্গাইল-৮); জাইদুল কবির (নরসিংদী-২); খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান (কিশোরগঞ্জ-১); জহিরুল হক মণ্ডল বাচ্চু (গাজীপুর-৩); মইনুল ইসলাম খান (মানিকগঞ্জ-২); সুশান্ত ভাওয়াল (শরীয়তপুর-৩); নুরুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-২); মো. ছালাউদ্দিন খোকা (নারায়ণগঞ্জ-৪); ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম ও মামুনুর রহমান (টাঙ্গাইল-৬); এস এম চাঁন মিয়া (টাঙ্গাইল-৩); আল আমীন মোল্লা (মাদারীপুর-২); এস এম সরওয়ার (ঢাকা-৮), নাদিয়া আক্তার (মাদারীপুর-১)। মো. আবদুল্লাহ (মুন্সীগঞ্জ-১); ডা. এনামুল হক (ইদ্রিছ) (কিশোরগঞ্জ-৩); মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (নারায়ণগঞ্জ-৪) ; সৈয়দ মজিবর রহমান (টাঙ্গাইল-৭); মো. বাদল কাজী (শরীয়তপুর-২); মো. শাহনেওয়াজ (মাদারীপুর-১), ফাহিমা হোসাইন জুবলী (ঢাকা-১); আব্দুর রহমান এড. (কিশোরগঞ্জ-১); সাইফুল ইসলাম সুমন (কিশোরগঞ্জ-৩), মাহমুদা রহমান মুন্নি (ঢাকা-৮); মোহাম্মদ আমানত হোসেন (ঢাকা-১৬); এম এ মতিন চৌধুরী (সিলেট-৫); মো. আ. কাদির (হবিগঞ্জ-৩); সেলিম উদ্দিন (সিলেট-৫); মোহাম্মদ দিলোয়ার (সুনামগঞ্জ-৪); দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন (সুনামগঞ্জ-৪); রেজা কিবরিয়া (হবিগঞ্জ ১); মোহাম্মদ আজিজুল হক (সুনামগঞ্জ ৪), অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান (হবিগঞ্জ-১), সেলিনা সুলতানা (কিশোরগঞ্জ-৫), নূর মোহাম্মদ খান (টাঙ্গাইল-৬), এরশাদ হোসাইন (কিশোরগঞ্জ-২), সাইফ উদ্দিন আহমদ খান (ঢাকা-১৮), মো. আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), সুলতান মাহমুদ (টাঙ্গাইল-৬); মাহমুদ হাসান সুমন (ময়মনসিংহ-৮); এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (জামাল্পুর-১); মো. হাবিবুল্লাহ (ময়মনসিংহ-১); মোহাম্মদ আমান উল্লাহ সরকার (ময়মনসিংহ-১১); মো. এম এ করিম আব্বাসী (নেত্রকোনা-১); মো.জহিরুল ইসলাম (ময়মনসিংহ-৫); মো. আবু তাহের তালুকদার (নেত্রকোনা-৫)।

দ্বিতীয় দিনের আপিল শুনানি শেষে যারা অবৈধ রয়ে গেলেন তারা হলেন: সামির কাদের চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬); মো. আবদুল লতিফ জনি (ফেনী-৩); মো. শাহজাহান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২); আবদুল মজিদ (কুমিল্লা-২); ওসমান হোসাইন (বরিশাল-৬); ডা. সুধীর রঞ্জন বিশ্বাস (পিরোজপুর-৩); মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ঝালকাঠি-১); এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার (পটুয়াখালী-১); মো. মিজানুর রহমান খান (পটুয়াখালী-২); এম এ মান্নান হাওলাদার (ভোলা-৪); মো. শাহ জালাল শামীম (ঝালকাঠি-১); মনি মোহন বিশ্বাস (পিরোজপুর-১); ইয়াসমীন আক্তার পপি (ঝালকাঠি-১); মাহবুবুল আলম (বরিশাল-৪); হুমায়ুন কবীর (ভোলা-২); মো. আতোয়ার হোসেন (মানিকগঞ্জ-১); আরিফুর রহমান (ঢাকা-৮); মো. আনিসুজ্জামান (কিশোরগঞ্জ-২); মো. আনিসুজ্জামান খোকন (ঢাকা-১৭); মেজর (অব.) মামুনুর রশীদ (ঢাকা-৮); শামসুল আলম খান চৌধুরী (গোপালগঞ্জ-১); মো. মনিরুজ্জামান নয়ন (কিশোরগঞ্জ-৩); মো. রেহান আফজাল (নারায়ণগঞ্জ-১)।

শেয়ার করুন