‘মননশীলতার বিকাশে গবেষণায় ভূমিকা রাখার আহবান’

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের ১০১৯তম সাহিত্য আসরে বক্তারা বলেছেন, বুদ্ধিবৃত্তিক সাহিত্য সাধনায় আমাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। মননশীলতার বিকাশের জন্য গবেষণায় ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। এ সময় বক্তারা কেমুসাসের ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণে গবেষণায় এগিয়ে আসার জন্য আহবান জানান। এতে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে সংসদের সাহিত্য আসর কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংসদের কার্যকরী পরিষদ সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ তাহের। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংসদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক আব্দুল মুকিত অপি এডভোকেট।

স্বাগত বক্তব্যে সংসদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী বলেন, ভাষা আন্দোলনের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান তমুদ্দুন মজলিশ, ঢাকা ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদকে ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য শান্তি পদক প্রদান করেছে। এ কৃতিত্বের জন্য তিনি সংসদের সাথে সংশ্লিষ্ট আজীবন সদস্য, পৃষ্ঠপোষক, কার্যকরী পরিষদের সদস্য এবং সাহিত্য অনুরাগীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। সংসদের কার্যক্রমে তিনি তাঁদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।

সভায় আলোচনায় অংশ নেন সংসদের সাবেক সহ সভাপতি এম এ করিম চৌধুরী ,সহ সভাপতি সেলিম আউয়াল, বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক অধ্যাপক কবি বাছিত ইবনে হাবীব, , কবি এম এ হান্নান, কবি অনিন্দ্য আনিস, কবি প্রাবন্ধিক মোহাম্মদ আব্দুল হক।

সভাপতির বক্তব্যে সংসদের কার্যকরী পরিষদ সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ তাহের কেমুসাসের সাহিত্য আসরে কবি ও সাহিত্যিকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সাহিত্য আসরে লেখাপাঠে অংশ নের ঔপন্যাসিক সিরাজুল হক, এম এ আশরাফ আলী, মো. আব্দুল বাছিত, কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল, হাফিজ আহমদ রাশেদ, জুনেদ আহমদ, শামসুদ্দোহা ফজল সিদ্দিকী, শিকদার, আব্দুল কাদির জীবন, জুবের আহমদ, কবির আহমদ, জান্নাতুল শুভ্রা মনি, আমিনা শহীদ চৌধুরী মান্না প্রমুখ। সাহিত্য আসর উপস্থাপনা করেন গল্পকার তাসলিমা খানম বীথি। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাহতাব আহমদ।

শেয়ার করুন