টিভিতে রাহির খেলা দেখেছেন মা

স্পোর্টস রিপোর্টার : অলক কাপালী,তাপস বৈশ্য,এনামুল জুনিয়ররা টেস্ট মাতিয়েও  হোম গ্রাউন্ডে  দর্শক। কি টেস্ট,কি ওয়ানডে,কি টি-২০, কোন ফরমেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলতে পারেননি হোম গ্রাউন্ডে। এখানেই ব্যতিক্রম সিলেটের লোকাল বয় আবু জায়েদ রাহি।

সিলেটে এ বছর তার হয়েছে টি-২০ অভিষেক। সিলেটের টেস্ট অভিষেকেও সিলেটের একমাত্র প্রতিনিধি আবু জায়েদ রাহি। সিলেটের স্মরনীয় অভিষেকে লোকাল বয় শিহরিত হবেন সেটাই স্বাভাবিক। তাকে ঘিরেই হোম গ্রাউন্ডে সমর্থকদের ভালবাসা আবর্তিত হওয়ারই কথা।

পরিবার-পরিজন,নিকটাত্মীয় আসবেন স্টেডিয়ামে, দিবেন উৎসাহ। এমনটাই ধরে নেয়া হচ্ছিল। অথচ, সিলেটের অভিষেকে সিলেটের লোকাল বয়ের মা আসেননি স্টেডিয়ামে ! স্টেডিয়ামে নয়, বাসায় বসে মা দেখেছেন ছেলে রাহির খেলা ! এমন তথ্য দিয়েছেন রাহি-‘বিপিএলের সময় আমার আম্মু আসছিল। তখন আমার আম্মু বলছে যে মাঠ থেকে বাবা আমি টিভিতেই দেখব। টিভিতে তোরে দেখতে পারি, মাঠে এসে তোরে খুঁজেই পাই না। উনি বলছে মাঠে আসব না, টিভিতে দেখব। এত ঝামেলা নিতে পারব না। বাসা থেকে কেউ আসেনি।’

টিম হোটেল রোজ ভিউ’র পাশেই রাহিদের বাসা। পায়ে হাঁটার পথ। বাসা কাছে বলে বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাত,কথা হচ্ছে। কিন্তু টিকিটের প্রসঙ্গ উঠলেই রাহি নিরুত্তর।

লোকাল বয় বলে বিপিএল’র গত আসরে সিলেট পর্বের খেলা এবং টি-২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন আবু জায়েদ রাহি। নিকটাত্মীয়,বন্ধু-বান্ধবদের দাবি, সৌজন্য টিকিটের। তা নিয়ে চাপের মুখে পড়ে ম্যাচে মনোসংযোগ দেয়াটাই কঠিন হয়ে পড়েছিল। সে কারনেই চাপমুক্ত ভাবে খেলা দেখতে সিলেটের টেস্ট অভিষেকে বন্ধু-বান্ধব,নিকটাত্মীয়দের নিবৃত্ত করেছেন-‘ না এখন টিকেটের চাপ নাই। মাঝখানে যখন সবাইরে বলছিলাম ভাই খেলতে আসি, টিকেট দেওয়ার জন্য আসি না। সব মিলিয়া আমাকে দুইটা বা পাঁচটা টিকেট দেয়। তাইলে আমি কীভাবে টিকেট যোগাড় করে দিব। এরপর এই যে শ্রীলঙ্কা সিরিজের সময় থেকে কেউ আর টিকেট চায় না আমার কাছ থেকে।’

শেয়ার করুন