হাইকোর্টে খালাস পাবেন তারেক অাশা জয়নুলের, মৃত্যুদণ্ডের জন্য আপিল করবে সরকার

বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন।

সিলেটের সকাল ডেস্ক :: ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনার মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান হাইকোর্টে খালাস পাবেন বলে মনে করেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন। অন্যদিকে, তারেক রহমানসহ ২১ অাগস্টের গ্রেনেড হামলার মামলায় যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

বুধবার দুপুরে রায়ের পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে এক বিক্ষোভ মিছিল শেষে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন আশা প্রকাশ করে বলেন, বিচারিক আদালতের দেয়া আজকের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তারেক রহমানসহ সব আসামিকে হাইকোর্টে আপিলের মাধ্যমে খালাস করানো হবে।

বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা) মুফতি হান্নান ও তারেক রহমানের নাম প্রাথমিকভাবে (সাক্ষ্যে) বলেননি। ৪১০ দিন তাকে (মুফতি হান্নান) রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। অথচ আমাদের আইনে আছে একটি মামলায় ১৫ দিনের বেশি কাউকে রিমান্ডে নেওয়া যাবে না। কিন্তু মুফতি হান্নানকে ৪১০ দিন রিমান্ডে রেখে অমানসিক নির্যাতন করে তারেক রহমানের নাম বলানো হয়েছে। যদিও তারেক রহমানের কোনো সম্পৃক্ততা এখানে ছিল না।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

এছাড়া দুপুরে রায় ঘোষণার পর সচিবালয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী বলেন, রায়ের কাগজপত্র পাওয়ার পরে আমরা চিন্তা-ভাবনা করব যে এই রায়ে তারেক রহমানকে এবং আরও দুজন— কায়কোবাদ এবং হারিছ চৌধুরীকে যে যাবজ্জীবন দেয়া হয়েছে সেটার জন্য আমরা উচ্চতর আদালতে গিয়ে তাদের ফাঁসির জন্য আমরা… এনহান্সমেন্ট বলে সেটা আইনে… এনহান্সমেন্টের জন্য আমরা আপিল করব।

আইনমন্ত্রী বলেন, এই হামলার মূল নায়ক তারেক রহমান। তিনি আওয়ামী লীগকে ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সপাটে শেষ করে দেয়ার ষড়যন্ত্রের নায়ক ছিলেন। মূল হোতা তারেকের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় রাজধানীর মতিঝিল থানায় করা হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দেয়া হয়েছে। জীবিত ৪৯ আসামির বাকিরা বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পেয়েছেন।

শেয়ার করুন