শুরু হলো আজাদ কাপ বাংলাদেশ ওপেন ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট

স্পোর্টস ডেস্ক:: বর্ণাঢ্য আয়োজনে সিলেটে পর্দা উঠল কাউন্সিলর আজাদ কাপ বাংলাদেশ ওপেন ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্টের।

বুধবার সকাল ১০টায় সিলেট আবুল মাল আব্দুল মুহিত ক্রীড়া কমপ্লেক্সের ইনডোরে প্রধান অতিথি হিসেবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আজবাহার আলী শেখ।

উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি বলেন, পূণ্যভূমি সিলেটের ব্যাডমিন্টন প্লেয়ারদের সুনাম বিশ্বজোড়া। আর বাংলাদেশের ব্যাডমিন্টনের তীর্থস্থানই বলা যায় এই সিলেট। আর এখানেই আজাদ কাপ বাংলাদেশ ওপেন ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে অংশ নিতে সারাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জড়ো হয়েছে শতাধিক ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার। এই টুর্নামেন্টের তারা প্রদর্শন করবেন নিজেদের ক্রীড়ানৈপুণ্য। এমন টুর্নামেন্ট প্রতিবছরই যেনো আয়োজন করা যায় সেদিকে সকলের নজর দেয়া উচিত।

সাবেক কৃতি ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার আহমদ জুলকারনাইন এর সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক মঈন উদ্দিন মঞ্জুর পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন টুর্নামেন্টের প্রবর্তক সিটি কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার সুজ্ঞান চাকমা, সিনিয়র সাংবাদিক তাপস দাশ পুরকায়স্থ, বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন আম্পায়ার এন্ড রেফারিজ এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক নাজিব ইসমাইল রাসেল ও সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ, গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ার ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ গাজী, টুর্নামেন্টের ম্যাচ রেফারি অচ্যুৎ ভট্টাচার্য্য অজিত, জেলা ব্যাডমিন্টন কমিটির সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত হোসেন, বিভাগীয় ব্যাডমিন্টন কমিটির সভাপতি কামরান আহমদ, জেলা ব্যাডমিন্টন কমিটির সদস্য কৃষ্ণপদ দে, মঞ্জুর আল মামুন, মুনিম মল্লিক মুন্না, জুনায়েদ আহমদ রাসেল প্রমুখ।

পেশাদার ও এমেচার দুই ক্যাটাগরিতে আয়োজিত এই টুর্ণামেন্ট জাতীয় ব্যাডমিন্টনের পর দেশের সবচেয়ে বড় আসর হিসেবে মনে করছেন জাতীয় ব্যাডমিন্টন তারকারা। এতে দেশের ৪০টি জেলা থেকে দেশ সেরা শতাধিক খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন। তাই এই টুর্ণামেন্ট দেশের তারকা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

পেশাদার ও এমেচার দুই ক্যাটাগরিতে মোট ১২৮টি দল খেলায় অংশ নিচ্ছে। পেশাদার ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৬০ হাজার টাকার প্রাইজমানী, রানার্স আপ দল ৪০ হাজার এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও কোয়ার্টার ফাইনালিস্টরা যথাক্রমে ১৫ হাজার, ১০ হাজার এবং ২০ হাজার টাকার প্রাইজমানী পাবে। আর এমেচার ক্যাটাগরীতে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৩০ হাজার টাকার প্রাইজমানী এবং রানার্স আপ দল পাবে ২০ হাজার টাকার প্রাইজমানী।

টুর্ণামেন্ট পরিচালনা করবেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ৭জন আম্পায়ার। এই টুর্ণামেন্টে অংশ নেওয়া ৫ জন আম্পায়ারসহ মোট ৮০ জনের আবাসন ও খাবারের ব্যবস্থা করেছেন টুর্ণামেন্টের আয়োজক আজাদুর রহমান আজাদ।

শেয়ার করুন