‘ধর্ষক’ ধর্মগুরু রাম রহিমের জামিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: জেল যাওয়া সবে একবছর পেরিয়েছে। এরই মধ্যে জামিন পেয়ে গেলেন ডেরা সাচ্চা সৌদার প্রাক্তন প্রধান গুরমিত রাম রহিম। ২০১৭ সালের ২৮ আগস্ট জোড়া ধর্ষণের মামলায় জেলে যেতে হয়েছিল গুরমিত রাম রহিমকে। জেল যাত্রার এক বছর কাটতে না কাটতেই জামিন পেলেন ডেরা প্রধান। তবে, ধর্ষণের মামলায় নয় রাম রহিম জামিন পেলেন নির্বীজকরণ মামলায়।

ধর্ষণের পাশাপাশিই রাম রহিমের বিরুদ্ধে ৪০০ অনুগামীর নির্বীজকরণের অভিযোগ উঠেছিল। রাম রহিমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন হংসরাজ চৌহান। তাঁর অভিযোগ, ডেরায় প্রায় প্রত্যেক পুরুষ অনুগামীর নির্বীজকরণ করা হতো। রাম রহিমের সাফাই ছিল, নাসবন্দির মাধ্যমেই ঈশ্বরকে পাওয়া যায়। এই বলেই পুরুষ শিষ্যদের এই কাজে বাধ্য করা হত। নেপথ্যের কারণ অবশ্য অন্য। ডেরার ভিতর যেভাবে যৌনচার চলত তার একচ্ছত্র অধিপতি ছিল রাম রহিম। সাধ্বী থেকে শুরু করে অন্যান্য মহিলাদের ভোগের অধিকার ছিল একমাত্র তারই। আর তাই বাকি সমস্ত পুরুষদের পৌরুষত্ব হরণ করে নেওয়া হত। এই অভিযোগ ওঠার পরই আদালতে রাম রহিমের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয়।

সেই মামলায় গত ২৩ আগস্ট জামিনের আবেদন করেন রাম রহিম । কিন্তু সেবার তার সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। এরপর ফের পঞ্চকুলার বিশেষ সিবিআই আদালতে আবেদন করেন রাম রহিম। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই শুক্রবার জামিন পেলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে এই মামলায় দুজন চিকিৎসকের নামও রয়েছে। তবে, জামিন পেলেও এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না প্রাক্তন ডেরা প্রধান। এখনই জেল থেকে বের হতে পারবেন না তিনি। ধর্ষণ মামলায় যে ২০ বছর জেলের মেয়াদ এখনও শেষ হয়নি৷ ওই মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত গারদের পিছনেও কাটাতে হবে রাম রহিমকে।

শেয়ার করুন