বাংলাদেশের উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থীতিশীলতাই মূখ্য : অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

সিলেট প্রেসক্লাব ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর

সিলেটের সকাল রিপোর্ট :: অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যত গবেষণা হয়েছে, প্রতিটি রিপোর্টে বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক স্থীতিশীলতাই প্রাধান্য পেয়েছে। দেশ পরিচালনায় সরকারের ধারাবাহিকতা থাকায় দেশের উন্নয়ন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে। আওয়ামীলীগ আবারও রাষ্ট্র পরিচালনায় আসলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সিলেট প্রেসক্লাব ভবনের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের গত ১০ বছরে দেশের প্রতিটি সেক্টরে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ বিবেচনায় শতবর্ষের সাংবাদিকতার স্মারক প্রতিষ্ঠান সিলেট প্রেসক্লাবে প্রথম ধাপে এক কোটি টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই অর্থবরাদ্দ বৃদ্ধি করা হবে বলেও মন্ত্রী আশ্বাস দেন।

মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। এরজন্য গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বেশ উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এরই ধারাবহিকতায় সিলেট প্রেসক্লাবের উন্নয়নে সরকার গুরুত্ব দিয়েছে। দেশের সকল সংকটময় মূহুর্তে এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সিলেট প্রেসক্লাব অতীতের মত অগ্রণী ভুমিকা পালন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী, সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হায়াতুল ইসলাম আখঞ্জি, সিলেট প্রেসক্লাবের আইন উপদেষ্টা এডভোকেট এমাদুল্লাহ শহীদুল ইসলাম শাহীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক দৈনিক সংলাপের সম্পাদক মোা: ফয়জুর রহমান, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মাহবুব রহমান, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সস্পাদক আব্দুর রশিদ মো: রেনু, সাবেক কোষাধ্যক্ষ খালেদ আহমদ। অনুষ্ঠান যৌথভাবে উপস্থাপনা করেন প্রেসক্লাবের ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক নূর আহমদ এবং পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক খালেদ আহমদ। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন দৈনিক সংগ্রামের সিলেট ব্যুরো প্রধান মো. কবির আহমদ।

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, সিলেট প্রেসক্লাব অতীতে সকল রাজনৈতিক সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করেছে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণবিরোধী আন্দোলন এর সমাধান এর অনন্য উদাহারণ। তিনি বলেন, সিলেট প্রেসক্লাব সিলেট অঞ্চলের সাংবাদিকতার একক প্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান। এর মর্যাদা ও ভাবমূর্তি অনন্য-অসাধারণ।

স্বাগত বক্তব্যে প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ সিলেটের সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে প্রাতিষ্ঠানিকরূপ দেয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা ও স্বল্পমেয়াদী কোর্স পরিচালনার জন্য সিলেট প্রেসক্লাব আলাদা ইন্সটিটিউট করার চিন্তা-ভাবনা করছে। এক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহযোগিতা চান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে ইকরামুল কবির বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের উন্নয়নে কাজ করছে। এর ধারাবাহিকতায় সিলেট প্রেসক্লাব এ অঞ্চলের সাংবাদিকতার মান-মর্যাদা উন্নয়নে বহুমাত্রিক পরিকল্পণা গ্রহণ করেছে। পর্যায়ক্রমে এসব পরিকল্পণা বাস্তাবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি মো. এহসান উদ্দিন চৌধুরী পিপিএম, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এনামুল হক জুবের ও এম এ হান্নান, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল মালিক জাকা, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সমরেন্দ্র বিশ্বাস সমর ও মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, দৈনিক জালালাবাদের নির্বাহী সম্পাদক আবদুল কাদের তাপাদার, প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান আতা, কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সহ-সভাপতি সেলিম আউয়াল, দৈনিক সিলেটের ডাকের সিনিয়র সাব-এডিটর আব্দুস সবুর মাখন ও ভানুজ কান্তি ভট্টাচার্য, প্রবাসী কমিউনিটি নেতা এস আই আজাদ আলী, প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক ইয়াহইয়া ফজল, কার্যনির্বাহী সদস্য মো. ফয়ছল আলম, শুয়াইবুল ইসলাম ও দিগেন সিংহ, দৈনিক কাজিরবাজারের সিনিয়র রিপোর্টার জেড এম শামসুল, বাংলা টিভির ব্যুরো প্রধান আবু তালেব মুরাদ, দৈনিক ভোরের কাগজের ব্যুরো প্রধান ফারুক আহমদ, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল বাতিন ফয়সল, ক্লাব সদস্য মো.আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলন, এম এ মতিন, মো. মুহিবুর রহমান, আনাস হাবিব কলিন্স, মো. দুলাল হোসেন, মো. আব্দুল মুকিত অপি, আবু সাঈদ মো. নোমান, মো. বদরুর রহমান বাবর, জাবেদ আহমদ, ইউনুছ চৌধুরী, এনামুল হক, নৌসাদ আহমেদ চৌধুরী, মো. আব্দুল্লাহ আল নোমান, করিম মিয়া, এটিএম তুরাব, ফয়ছল আহমদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন