চা শিল্পাঞ্চলে সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :: চা শিল্পের জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির বিকাশে আগামীতে চা শিল্পাঞ্চলে একটি সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি। পিছিয়ে পড়া এ জনগোষ্ঠীর বিকাশে এ উদ্যোগ নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের তেতইগাঁও মণিপুরী কালচারাল কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এই কথা বলেন।

‘বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীগুলোর ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির বিকাশ ও মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুসহ শিশুশিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ক সচেতনতামূলক সম্মেলন-২০১৮’তে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি উপস্থিত ছিলেন।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও গণস্বাক্ষরতা অভিযানের সহযোগিতায় বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরাম ও বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরামের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের সভাপতি পিডিশন প্রধানের সভাপতিত্বে এবং নারীনেত্রী বিলকিস বেগম ও বামডো সম্পাদক সাজ্জাদুল হক স্বপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল আউয়াল বিশ্বাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সৌরভ শিকদার, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল বিপিএম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সদস্য ও কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ড. কানিজ ফাতেমা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় উপ-পরিচালক তাহমিনা খাতুন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হক, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ তফাদার রেজুয়ানা ইয়াসমিন সুমী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ারুল ইসলাম, বামডো সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মজিদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ মণিপুরী আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সমরজিত সিংহ। সেখানে সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হয়।

শেয়ার করুন